উক্ত বিষয়টি তথা সমাজবিজ্ঞান কেবল সামাজিক সমস্যা দূরীকরণের জন্যই পাঠ করা প্রয়োজন। প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি সঠিক নয়। কারণ সমাজবিজ্ঞানের পরিধি আরও ব্যাপক ও বিস্তৃত।
সমাজবিজ্ঞান হচ্ছে এমন একটি বিজ্ঞান যা সমাজের সাথে জড়িত সকল বিষয়ের বিজ্ঞানভিত্তিক বিশ্লেষণ করে। সংঘ, পতিষ্ঠান, সমাজকাঠামো, সামাজিক সমস্যা, সামাজিক পরিবর্তন, সামাজিক ইতিহাস, সামাজিক উন্নয়ন ইত্যাদি বিষয় সমাজবিজ্ঞানের আলোচনাভুক্ত এবং এর সঙ্গে জড়িত সব বিষয় নিয়েই সমাজবিজ্ঞান গভীরভাবে ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ করে। এছাড়া সমাজে বসবাসরত মানুষের সাথে কিভাবে চলতে হবে, কিভাবে সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে এবং কিভাবে একতাবদ্ধভাবে থাকতে হবে তা সমাজবিজ্ঞান পাঠের মাধ্যমে জানা যায়। তাছাড়া সমাজের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান যেমন- পরিবার, বিবাহ, রাষ্ট্র, অর্থব্যবস্থা ইত্যাদি কার্যাবলি সম্পর্কেও সমাজবিজ্ঞান গবেষণা ও পর্যালোচনা করে। মূলত সমাজবিজ্ঞান সামগ্রিক বিষয় নিয়েই পর্যালোচনা করে।
উদ্দীপকে শুধু সামাজিক সমস্যা চিহ্নিতকরণ এবং সমস্যা দূরীকরণের উপায় সম্পর্ক বলা হয়েছে। কিন্তু সমাজবিজ্ঞানের বিস্তৃতি আরও অনেক গভীরে। যা পূর্বোক্ত আলোচনার মাধ্যমে ফুঁটে উঠেছে। সুতরাং বলা যায়, সমাজবিজ্ঞান শুধু সামাজিক সমস্যা দূরীকরণের জন্যই পাঠ করা হয় না, বরং সমাজের যাবতীয় সমস্যা সমাধানের জন্য সমাজবিজ্ঞানের পাঠ প্রয়োজন।