উদ্দীপকের বর্ণনায় অর্থাৎ জরিপ গবেষণায় বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির ধাপসমূহ যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছে।
একজন বিজ্ঞানী যে যৌক্তিক পদ্ধতিতে সামাজিক ও প্রাকৃতিক বিষয়াবলী বর্ণনা, ব্যাখ্যা এবং বিশ্লেষণের মাধ্যমে সাধারণ তত্ত্ব প্রতিষ্ঠা করেন তাকেই বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি বলে। বিষয়বস্তুর বিচার-বিশ্লেষণ ও অনুধাবনের উদ্দেশ্যে সব বিজ্ঞানই এ পদ্ধতি অবলম্বন করে। প্রতিটি বিজ্ঞানেই সিদ্ধান্তে উপনীত হতে হলে তার কার্যক্রমে কয়েকটি স্তর পার করতে হয়। এ স্তরগুলোই মূলত বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির পরিচায়ক। সমাজ গবেষণার ক্ষেত্রে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির প্রধান স্তরগুলো হলো সমস্যা নির্বাচন, পর্যবেক্ষণ ও তথ্য সংগ্রহ, তথ্যের শ্রেণিবিন্যাস, পরিকল্পনা প্রণয়ন, যথার্থতা যাচাই এবং ভবিষ্যদ্বাণী। উদ্দীপকে দেখতে পাই, মাসুদ প্রথমে গবেষণার একটি বিষয় নির্ধারণ করে। তারপর এ সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ এবং তথ্য সারণির মাধ্যমে প্রতিবেদনে উপস্থাপন করে। এরপর সে তথ্যগুলো বিশ্লেষণের মাধ্যমে ফলাফল প্রকাশ করে। এ ধাপগুলো পূর্বে আলোচিত বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির স্তরের অনুরূপ।
উপরের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে তাই বলা যায়, উদ্দীপকের বর্ণনায় বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির ধাপগুলো যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছে।