উদ্দীপকের অনু তার গবেষণার ক্ষেত্রে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি ও জরিপ পদ্ধতি গ্রহণ করেছে। অঙ্কু তার গবেষণার জন্য একটি বিষয়বস্তু নির্বাচন করে এবং বিভিন্নভাবে তথ্য সংগ্রহ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে গবেষণা সমাপ্ত করেন।
তার গবেষণায় দুটি পদ্ধতি অনুসৃত হয়েছে। প্রথমত, অন্তু তার গবেষণায় বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির প্রয়োগ করেছেন। সাধারণত যে সুনির্দিষ্ট ও নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অনুসরণের মাধ্যমে মানুষ জ্ঞান বর্ষন ও. পরিমার্জনে কর্মকান্ড চালিত করে তাকে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি বলে। আধুনিক সমাজবিজ্ঞান সমাজ গবেষণায় বিজ্ঞানভিত্তিক পদ্ধতি অনুসরণ করে থাকে। বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি সত্যের অনুসন্ধান করে এবং বাস্তবতার নিরিখে বিভিন্ন প্রপঞ্চকে মূল্যায়ন করে। বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির মুখ্য উদ্দেশ্য হচ্ছে আমরা যে বাস্তব জগতে বাস করি সে জগতের বাস্তব অবস্থা যেমন আছে তাকে ঠিক তেমনিভাবে অনুসন্ধান করে প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটন করা যা উদ্দীপকের অন্তুর সমাজ গবেষণায় পরিলক্ষিত হয়। দ্বিতীয়ত অন্তু তার গবেষণার জন্য গ্রাম ও শহরের বিভিন্ন মানুষের সাথে কথা বলে তথ্য সংগ্রহ করে যা জরিপ পদ্ধতির বৈশিষ্ট্য সজ্ঞাত। আধুনিক সমাজ গবেষণায় জরিপ একটি গুরুত্বপূর্ণ এরং বহুল ব্যবহৃত তথ্যানুসন্ধান পদ্ধতি। এটি কোনো একটি বিশেষ বিষয়ে তথা সমাজের প্রয়োজনে কোনো সামাজিক সমস্যার ওপর তথ্য সংগ্রহের জন্য চালানো হয়। জরিপ পদ্ধতি হলো বিভিন্ন কৌশলে তথ্যাবলি সংগ্রহ, তথ্যাবলির ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ, অনুসন্ধান এবং সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়ার প্রক্রিয়া। উদ্দীপকের অন্তু গবেষণার ফলাফল তার পূর্বানুমানের ভিত্তিতে পেয়েছে। একই সাথে মাঠ পর্যায়ে জরিপের মাধ্যমে গবেষণার তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করেছে। তাই আমরা বলতে পারি,
উদ্দীপকের অন্তু তার সমাজ গবেষণায় একই সাথে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি ও জরিপ পদ্ধতি অনুসরণ করেছে।