হ্যাঁ, প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ ও পর্যবেক্ষণ পদ্ধতিটি দুটির মাধ্যমেই উদ্দীপকে উল্লিখিত দুটি সমাজের মানুষ সম্পর্কে সম্যক জ্ঞানার্জন সম্ভব এবং আমি এ বক্তব্যের সাথে সম্পূর্ণ একমত।
কেননা প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ ও পর্যবেক্ষণ পদ্ধতির মাধ্যমে গবেষক যেসব তথ্য প্রদান করে তার জন্য তাকে দীর্ঘদিন অত্র জনগোষ্ঠীর মধ্যে অবস্থান করতে হয় এবং দীর্ঘদিন অবস্থানের মাধ্যমে তাদের মূল্যবোধ, আচার- আচরণ, রীতি নীতি, বিশ্বাস, পোশাক-পরিচ্ছদ, খাদ্যাভ্যাস, জলবায়ু, শিক্ষা, সংস্কৃতি, মনোভাব এবং তার ওপর ভৌগোলিক প্রভাব প্রভৃতি প্রতিটি বিষয় সম্পর্কে একটি স্বচ্ছ ধারণার অবতারণা হয়। একই সাথে এ পর্যবেক্ষণমূলক পদ্ধতিটির অন্যতম সুবিধা হলো এ পদ্ধতিতে সংগৃহীত তথ্যগুলো হয় বিশুদ্ধ ও সাবলীল এবং কোনো বিষয়ের গভীরে যেতে হলে এ পদ্ধতিটিই উত্তম এবং এক্ষেত্রে উদ্দীপকে বর্ণিত দুটি ভিন্ন সমাজ সম্পর্কিত বিশুদ্ধ ও প্রত্যক্ষ জ্ঞান অর্জনে এ পদ্ধতির থেকে ভালো পদ্ধতি নেই বললেই চলে। কেননা উক্ত গ্রাম এবং শহুরে জীবনের সামগ্রিক অবস্থা সম্পর্কিত ধারণা লাভে সর্বোত্তম প্রয়োগ পদ্ধতি হলো প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ ও পর্যবেক্ষণমূলক পদ্ধতি।
সুতরাং আলোচনার আলোকে নিশ্চিতভাবে বলতে পারি, উদ্দীপকে বর্ণিত দুটি ভিন্ন সমাজ সম্পর্কে সম্যক ধারণা লাভে প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ ও পর্যবেক্ষণ পদ্ধতিই অধিক উত্তম এবং এর মাধ্যমে সামগ্রিক বিষয় সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন সম্ভব বলে আমি মনে করি।