উদ্দীপকে মার্জিয়া তত্ত্ব প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির নীতিসমূহ অনুসরণ করেন। বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি হলো বিজ্ঞানের ভিত্তি।
সাধারণত বিজ্ঞানসম্মত অনুসন্ধানের দক্ষ উপায়কে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি বলা হয়। বিজ্ঞান এমন এক পদ্ধতি অনুসরণ করে যার মাধ্যমে কোনো বিষয়ে পরীক্ষা ও পুনঃপরীক্ষার দ্বারা সত্যে উপনীত হওয়া যায়। যেকোনো বিষয় অনুসন্ধানের পদ্ধতি হিসেবে বিজ্ঞান এ বিশেষ দৃষ্টিভঙ্গি অনুসরণ করে, যা কতকগুলো নীতিমালার সাথে যুক্ত। এ নীতিসমূহের মধ্যে রয়েছে কার্যকরী সংজ্ঞা, সাধারণীকরণ, নিয়ন্ত্রিত পর্যবেক্ষণ, পুনঃপর্যবেক্ষণ, নিশ্চিতকরণ ও সংগতি বিধান। যখন গবেষণার ক্ষেত্রে এসব নীতি অনুসরণ করা হয় তখন গবেষণা ফলাফলটি তত্ত্ব হিসেবে অধিষ্ঠিত হয়। উদ্দীপকের মার্জিয়া পুরুষতান্ত্রিক সমাজে মহিলাদের প্রতি ঋণাত্মক দৃষ্টিভঙ্গি যৌতুক প্রথাকে সম্প্রসারিত করছে- এ বিষয়টি কিছু নীতিমালার আলোকে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বর্ণনা ও ব্যাখ্যা করেন এবং এক্ষেত্রে মার্জিয়া বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির নীতিমালাকে অনুসরণ করেন। যা তার সিদ্ধান্তকে তত্ত্বে উপনীত হতে সহায়তা করেছে।
উপরের আলোচনার প্রেক্ষিতে তাই বলা যায়, উদ্দীপকে মার্জিয়া তত্ত্ব প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির নীতিসমূহ যথাযথভাবে অনুসরণ করেন।