বাংলাদেশের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর গবেষণায় উক্ত পদ্ধতি কতটুকু যুক্তিযুক্ত বলে তুমি মনে কর।
উত্তর: বাংলাদেশের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর গবেষণায় উক্ত পদ্ধতি বা নৃতাত্ত্বিক পদ্ধতি পুরাপুরি যুক্তিযুক্ত বলে আমি মনে করি। গবেষণা ও আলোচনার জন্য সমাজবিজ্ঞানিগণ নানা পদ্ধতি প্রয়োগ করেন। সমাজের মধ্যে সাংস্কৃতিক সংকট উত্তরণ ও আচার-অনুষ্ঠানের মধ্যে যে পার্থক্য ও বিরোধিতা দেখা যায় তা সমাধানে সাহায্য করে বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি। উদ্দীপকে রাখাইন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জীবনযাত্রার ধরন তুলে ধরা হয়েছে। তারা ছাড়াও বাংলাদেশে আরও বেশকিছু ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী রয়েছে। বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর গবেষণায় নৃতাত্ত্বিক পদ্ধতির প্রয়োগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। ক্ষুদ্র সমাজের গবেষণার গুরুত্ব উপলব্ধি করেই নৃতাত্ত্বিক পদ্ধতির প্রবর্তন করা হয়েছে। যে পদ্ধতির মাধ্যমে গবেষক দীর্ঘদিন গবেষণাস্থলে অবস্থান করে গবেষণাধীন সমাজ বা জনগোষ্ঠী সম্পর্কে সঠিক ও নির্ভরযোগ্য তথ্য সংগ্রহ করেন তাকেই নৃতাত্ত্বিক পদ্ধতি বলে। ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের জীবনমান গবেষণায় এ পদ্ধতিই উপযুক্ত। নানা কৌশল অবলম্বন করে গবেষকগণ এ পদ্ধতির সাহায্যে তথ্য সংগ্রহ করতে পারেন। ত তাই আমি বাংলাদেশের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর গবেষণায় উক্ত পদ্ধতিকে 1 পুরাপুরি যুক্তিযুক্ত বলে মনে করি।
HSC Sociology 1st Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Sociology 1st Paper · সৃজনশীল
বাংলাদেশের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর গবেষণায় উক্ত পদ্ধতি কতটুকু যুক্তিযুক…
উদ্দীপক
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর