মানবজীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে উক্ত বিষয় অর্থাৎ সমাজবিজ্ঞানের জ্ঞান অপরিহার্য প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ ও যৌক্তিক।বাস্তবিক অর্থে সমাজবিজ্ঞানের উদ্দেশ্য হলো গোটা সমাজের নিখুঁত বিশ্লেষণ। সমাজবিজ্ঞান সমাজকাঠামো এবং বিভিন্ন অনুষ্ঠান-প্রতিষ্ঠানের পারস্পরিক সম্পর্ক, ভূমিকা ও কার্যাবলি সম্পর্কে পঠন-পাঠন ও গবেষণা করে। উদ্দীপকের তানিয়া সমাজবিজ্ঞান পাঠের মাধ্যমে সমাজের সামগ্রিক দিক সম্পর্কে জানতে পারবে। কেননা সমাজবিজ্ঞান হলো মানবসমাজ, সম্পর্কিত বিজ্ঞান। মানবসমাজ তথা সামাজিক মানুষের সামাজিক আচরণ নিয়ে সমাজবিজ্ঞান পর্যালোচনা - করে থাকে। বাস্তবিক অর্থে সমাজবিজ্ঞানের উদ্দেশ্য হলো, গোটা সমাজের নিখুঁত বিশ্লেষণ। আমরা গোটা সমাজকে মানবসমাজের সামগ্রিক পাঠ বলে আলোচনা করতে পারি। মানুষের যেকোনো সামাজিক আচরণই সমাজবিজ্ঞানের আওতাভুক্ত। কেননা সমাজবিজ্ঞান ও এর বিভিন্ন শাখা-প্রশাখা সর্বদা সমাজস্থ মানুষের সাথে সম্পর্কিত বিষয়াদি নিয়ে গবেষণা, পর্যালোচনা ও সমাধানের পথনির্দেশ করে থাকে। মানুষের পারিপার্শ্বিক অবস্থার অর্থাৎ সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক প্রতিটি উপাদান সমাজবিজ্ঞানের আলোচ্য বিষয়। আর সমাজবিজ্ঞানের এ প্রতিটি উপাদানের মূল উদ্দেশ্য হলো মানুষের আচরণকে নিয়ন্ত্রণ করে সমাজের কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন সাধন করা।সুতরাং, এ কথা নির্দ্বিধায় বলা যায়, মানবজীবনে সমাজবিজ্ঞানের জ্ঞান অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে থাকে।