উদ্দীপকে পারস্পরিক সহযোগিতার ওপর নির্ভরশীল মুকুলের এলাকাটি “সমাজ” নামক প্রত্যয়কে নির্দেশ করছে। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো :
সমাজ হলো অনুভূতিসম্পন্ন সমজাতীয় কিছু জীবের সমষ্টি, যারা পরস্পর মানসিক সূত্রে আবদ্ধ। অর্থাৎ সমাজ কেবল মানুষের নয় যেকোনো জীব প্রজাতির হতে পারে। সাধারণ অর্থে সমাজ বলতে এমন একদল মানুষের সমষ্টিকে বোঝায়, যারা একত্রে পারস্পরিক সম্পর্ক সূত্রে এবং বিভিন্ন প্রথা-প্রতিষ্ঠানের ক্রিয়া পদ্ধতিতে আবদ্ধ হয়ে বসবাস করে। সমাজবিজ্ঞানী মরিস গিন্সবার্গ বলেন, “মানুষের সাথে মানুষের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ, সংগঠিত বা অসংগঠিত, সচেতন বা অসচেতন, সহযোগিতা বা বৈরিতামূলক সমস্ত সম্পর্কে সমন্বিত রূপ হচ্ছে সমাজ”। সমাজবিজ্ঞানী ম্যাকাইভার ও পেজ বলেন, সমাজ হলো সামাজিক সম্পর্কসমূহের জাল।
উদ্দীপকে দেখা যায়, মুকুলের বসবাসরত এলাকার জনগোষ্ঠীর মধ্যে মতের অমিল থাকলেও তারা মৌলিক চাহিদা পূরণে একতাবদ্ধ। আবার তারা পারস্পরিক সহযোগিতার ওপর নির্ভরশীল এবং তাদের মধ্যকার সম্পর্ক জটিল জালের মত। পূর্বোক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে নিশ্চিতভাবে বলা যায়, মুকুলের এলাকাটি সমাজ নামক প্রত্যয়কে নির্দেশ করছে।
সুতরাং বলা যায় যে, উদ্দীপকে পারস্পরিক সহযোগিতার ওপর নির্ভরশীল মুকুলের এলাকাটি “সমাজ” নামক প্রত্যয়কে নির্দেশ করছে।