দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদ তত্ত্বের প্রভাবেই ব্যক্তি, বন্ধু এবং সমাজের উৎপত্তি, বিকাশ ও পরিবর্তন ঘটে। মার্কসের সামাজিক বিবর্তনের ধারণার ভিত্তি দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদ।
দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদই মার্কসীয় দর্শনের শেষ কথা। দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদের মূলকথা হলো সমস্ত বস্তু বা প্রপঞ্চের বিকাশ ঘটে দ্বন্দ্বের মধ্য দিয়ে। অর্থাৎ সমাজ পরিবর্তনও দ্বন্দ্বেরই ফল। এক্ষেত্রে একটি প্রচলিত সমাজব্যবস্থার (Thesis) সাথে দ্বন্দ্ব চলে এ ব্যবস্থার বিরোধিদের (Anti-thesis) এবং ফলশ্রুতিতে সম্পূর্ণ নতুন একটি সমাজব্যবস্থার সৃষ্টি হয় (সমন্বয় বা Synthesis)। এ Synthesis সময়ের পরিক্রমায় Thesis এ পরিণত হয় এবং Anti-thesis এর মাধ্যমে পুনরায় আরেকটি Synthesis এর জন্ম হয়। এভাবে দ্বান্দ্বিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে ব্যক্তি, বস্তু বা সমাজের উৎপত্তি, বিকাশ এবং পরিবর্তন ঘটে।
সুতরাং একথা নিঃসন্দেহে বলা যায় যে, মার্কসের দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদ। তত্ত্বের প্রভাবেই ব্যক্তি, বস্তু এবং সমাজের উৎপত্তি, বিকাশ ও পরিবর্তন ঘটে।