সমাজবিজ্ঞানে উক্ত মনীষীর অবদান বিশ্লেষণ কর।
উত্তর: সমাজবিজ্ঞানে এমিল ডুর্খেইমের অবদান অনস্বীকার্য। বিশ শতকের প্রারম্ভিক পর্যায়ে যাদের প্রভাবে সমাজবিজ্ঞান তার গতিশীলতার পথে অগ্রসর হয়ে প্রগতিশীল হয়ে উঠেছিল তাদের মধ্যে এমিল ডুর্খেইম-এর নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিভিত্তিক শিক্ষাব্যবস্থার প্রতি ছিল তার গভীর অনুরাগ। আর তা থেকেই তিনি বিজ্ঞানসম্মত পন্থায় সমাজবিজ্ঞানকে অধ্যয়নের প্রয়াস চালান। সমাজতাত্ত্বিক পদ্ধতির নীতিমালা গ্রন্থে এমিল ডুর্খেইম সামাজিক ঘটনা কী এবং একে কীভাবে উদ্ঘাটন করা সম্ভব সে সম্পর্কে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দান করেন। তিনি মনে করেন যে, সামাজিক মিথস্ক্রিয়া হতে সামাজিক ঘটনার উৎপত্তি ঘটে এবং এসব সামাজিক ঘটনা চিন্তাচেতনা ও আচরণকে নিয়ন্ত্রণ করে। তার মতে, সমাজ ও সামাজিক ঘটনাবলি হচ্ছে ব্যক্তির নিরপেক্ষ সত্তা। এছাড়া ডুর্খেইম তার গ্রন্থে ধর্মকে একটি সামাজিক বিষয় এবং ধর্মীয় বিশ্বাস ও আচার অনুষ্ঠানকে সমাজ বা গোষ্ঠীর প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি ধর্মকে সামাজিক ঘটনা বলে উল্লেখ করেন। এছাড়া তিনি তার শ্রমবিভাজন। তত্ত্ব ও আত্মহত্যা সম্পর্কিত তত্ত্ব প্রদানের মাধ্যমে সমাজবিজ্ঞানকে আলোচনা ও পর্যালোচনা করতে সমর্থ হন।
HSC Sociology 1st Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Sociology 1st Paper · সৃজনশীল
সমাজবিজ্ঞানে উক্ত মনীষীর অবদান বিশ্লেষণ কর।
উদ্দীপক
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর