উদ্দীপকে উল্লেখিত বিষয়টি পাঠ্য বইয়ের সংস্কৃতি প্রত্যয়কে নির্দেশ করে। নিম্নে তা ব্যাখ্যা করা হলো :
মানুষ জীবনযাপন করতে গিয়ে যা কিছু করে তাই সংস্কৃতি। অর্থাৎ সংস্কৃতি হচ্ছে মানুষের সার্বিক জীবন প্রণালী। যেমন মানুষের জ্ঞান, বিশ্বাস, নৈতিকতা, আচরণ, অনুষ্ঠান, রীতিনীতি, প্রভৃতির মার্জিত রুপই হচ্ছে সংস্কৃতি। নৃবিজ্ঞানী ই বি টেইলরের মতে, সমাজের একজন সদস্য হিসেবে একজন মানুষ কর্তৃক জ্ঞান, বিশ্বাস, কলা, নৈতিকতা, আইন, অভ্যাস এবং সামর্থ্যের যে সমন্বয় ঘটে তাই সংস্কৃতি।
উদ্দীপকে পাঁচ বছর বয়সী শুভ তার বাবা-মায়ের সাথে পয়লা বৈশাখে মঙ্গল শোভাযাত্রা অংশগ্রহণ করে এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান দেখে। এসময় তারা বাবা তাকে বলে, বাঙালির প্রাণের উৎসব পয়লা বৈশাখ। এগুলো আমাদের ঐতিহ্য, রীতিনীতি ও প্রথা। আর এগুলো রসমন্বয়ে গড়ে উঠে আমাদের জীবনযাত্রার প্রণালী। অর্থাৎ উদ্দীপকের তথ্যগুলো সংস্কৃতির সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। কেননা বৈশাখের প্রথম দিনে ঢাকায় মঙ্গল শোভাযাত্রা এবং রমনের বটমূলে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বাঙালিরা নতুন বর্ষকে বরণ করে নেয়। আর এগুলো বাঙালি সংস্কৃতির এবং সামগ্রিক জীবন প্রণালীর অবিচ্ছেদ্য অংশ।
তাই বলা যায়, উদ্দীপকে উল্লেখিত বিষয়টি পাঠ্য বইয়ের সংস্কৃতি প্রত্যয়কে নির্দেশ করে।