উদ্দীপকের বর্ণনায় অবস্তুগত সংস্কৃতির ধরণটি বিবৃত করা হয়েছে ।
সংস্কৃতির যে অংশ অদৃশ্য তথা উপলব্ধির ওপর নির্ভরশীল তাই অবস্তুগত সংস্কৃতি। অবস্তুগত সংস্কৃতি বলতে মানুষের ধ্যান-ধারণা, চিন্তাভাবনা, চলনবলন, কথন, রীতিনীতি তথা মূল্যবোধ, আবেগ-উচ্ছ্বাস ইত্যাদিকে বোঝায়। এছাড়া মানবসৃষ্ট কাব্য, সাহিত্য, সংগীত, নৃত্য, শিল্পকলা ইত্যাদি বিষয়গুলো অবস্তুগত সংস্কৃতির একেকটি বিশেষ দিক । উদ্দীপকে দেখা যায়, গ্রামের বয়স্করা একসময় তাদের সন্তান-সন্ততি, নাতি-নাতনিদের গল্প, রূপকথা, নীতিবাক্য ইত্যাদি শোনাত। এছাড়া গ্রামে প্রায়ই পালা গান, যাত্রা, পুঁথিপাঠ ইত্যাদি অনুষ্ঠিত হতো। যা অবস্তুগত সংস্কৃতির উদাহরণ হিসেবে স্বীকৃত।
সুতরাং উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, উদ্দীপকের বর্ণনায় অবস্তুগত সংস্কৃতির ধরণটি প্রতিফলিত হয়েছে।