উদ্দীপকে মানুষের সৃষ্টির অন্তর্নিহিত দিকটি হলো সংস্কৃতি। নিম্নে তা ব্যাখ্যা করা হলো : সংস্কৃতি সমাজবিজ্ঞানের একটি অন্যতম আলোচ্য বিষয়। সৃষ্টির শুরু থেকে মানুষ বিভিন্ন প্রতিকূল পরিবেশের সাথে সংগ্রাম করেই বিকশিত হয়েছে। পাশাপাশি মানুষ বিভিন্ন অবস্থার সাথে খাপ খাইয়ে নতুন কিছু সৃষ্টি করতে পারে। মূলত প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে গিয়ে মানুষ যেসব চিন্তা-ভাবনা করেছে এবং উদ্ভাবন করেছে সবগুলোই একত্রে সংস্কৃতি। আর মানুষই একমাত্র প্রাণী যারা প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও নতুন নতুন বিষয়ে সৃষ্টি করেছে। বলতে গেলে নিজেদের প্রয়োজনমাফিক ভাবে বিভিন্ন জিনিসকে তৈরি করা এবং পরিমার্জন করার মধ্য দিয়েই সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে। নৃবিজ্ঞানী ই বি টেইলরের মতে, সমাজের একজন সদস্য হিসেবে একজন মানুষ কর্তৃক জ্ঞান, বিশ্বাস, কলা, নৈতিকতা, আইন, অভ্যাস এবং সামর্থ্যের যে সমন্বয় ঘটে তাই সংস্কৃতি। উদ্দীপকেও বলা হয়েছে, পৃথিবীতে মানুষ টিকে থাকার জন্য বিভিন্ন দ্রব্যের প্রয়োজন অনুভব করে। এই প্রয়োজন মেটাতে গিয়ে তারা নিজ হাতে যা কিছু সৃষ্টি করেছে তার একটি অন্তর্নিহিত দিক আছে। যা মূলত সংস্কৃতি। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে মানুষের সৃষ্টির অন্তর্নিহিত দিকটি হলো সংস্কৃতি।