দৃশ্যপট-২ এ সমাজজীবনে প্রভাব বিস্তারকারী, বংশগতি উপাদানের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
যে জৈবিক প্রক্রিয়ায় পূর্বপুরুষের কিছু দৈহিক ও মানসিক বৈশিষ্ট্য উত্তরাধিকারসূত্রে পরবর্তী বংশ-সন্তানদের মধ্যে সঞ্চালিত হয় তাকে বংশগতি বলে। জীব বিজ্ঞানীদের মতে, বংশগত প্রভাব ঘটিত গুণাগুণ শুক্রকীটের মধ্যে সঞ্চারিত হয়ে থাকে এবং এ শুক্রকীট হতে যে শিশুর জন্ম হয় তার মধ্যে বংশগত গুণাগুণ আপনা হতেই প্রকাশ পায়। এজন্যই দেখা যায়, চুলের চুলের বর্ণ, মাথার আকৃতি, দৈহিক গঠন, গায়ের রং, দৈহিক ও মানসিক শক্তি, বুদ্ধিমত্তা, কর্মদক্ষতা ইত্যাদি গুণাবলি মানুষ বংশানুক্রমেই লাভ করে।
উদ্দীপকে দৃশ্যপট-২ এ দেখা যায়, ডাক্তার শহীদ শত ব্যস্ততার মাঝেও তার মেয়েকে যথেষ্ট সময় দেন। তার মেয়েটি অসম্ভব বুদ্ধিমতী। মেয়ের চেহেরায় শহীদ সাহেব নিজের মৃত মায়ের চেহেরার মিল খুঁজে পান। এসব বৈশিষ্ট্য বংশগতিকে নির্দেশ করছে। কারণ দৈহিক ও মনস্তাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য উত্তরাধিকার সূত্রেই বর্তিয়ে থাকে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের দৃশ্যপট-২ এ সমাজজীবনে প্রভাব বিস্তারকারী বংশগতি উপাদানটি নির্দেশিত হয়েছে।