উদ্দীপকের ফাতেমা সমাজজীবনে প্রভাব বিস্তারকারী বংশগতি উপাদানের ফল ।
বংশানুক্রমে জৈব ও মানবিক যে সমস্ত বৈশিষ্ট্য অধস্তন পুরুষের মধ্যে সঞ্ঝালিত হয় তাই বংশগতি। বংশগতি মানুষের দৈহিক আকার ও গঠনে প্রকাশ পায়। বিভিন্ন গোত্র বা বর্ণভেদ তার সাক্ষ্য বহন করে। জীববিজ্ঞানীদের মতে, বংশগত গুণাগুণ শুক্রকীটের মধ্যে সঞ্চারিত হয়ে থাকে এবং এ শুক্রকীট হতে যে শিশুর জন্ম হয় তার মধ্যে বংশগত গুণাগুণ আপনা হতেই প্রকাশ পায়। এ জন্যই দেখা যায় যে, চুলের বর্ণ, হাতের আঙ্গুল, মাথার আকৃতি, দৈহিক গঠন, গায়ের রং, দৈহিক ও মানসিক শক্তি, কর্মদক্ষতা প্রভৃতি গুণাবলি মানুষ পুরুষানুক্রমে লাভ করে থাকে। আবার মানুষের আচার ব্যবহার ও মানসিক অবস্থা এমন অনেক শারীরিক বৈশিষ্ট্যের ওপর নির্ভর করে যা স্পষ্টত বংশগত, যাদের প্রতিক্রিয়া কোনো ধরনের পরিবেশেই বদলানো সম্ভব নয়। চোখের রঙ, রক্তের বিভাগ, আঙ্গুলের ছাপ প্রভৃতি বংশগতির উপাদান সব পরিবেশে একই থাকে।
উদ্দীপকের ফাতেমার মা হলো বংশগতভাবে জার্মান কিন্তু তার বাবা হলো, বাঙালি। ফাতেমা দেখতে তার মায়ের মতো হয়েছে। যা বংশগতি উপাদানকে নির্দেশ করে। তাই বলা যায় যে, ফাতেমা বংশগতি উপাদানেরই ফল ।