রীনার দাদা-দাদির অবর্তমানে রীনাদের শারীরিক ও মনস্তাত্ত্বিক বিভিন্ন ধরনের সমস্যা হতো বলে আমি মনে করি।
মানব সমাজে শিশুর প্রজনন থেকে শুরু করে শিশুর শারীরিক, মানসিক বিকাশ সাধনের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রস্থল হচ্ছে পরিবার। পরিবার থেকে একটি শিশু নীতি-নৈতিকতা, মূল্যবোধ, আচার-ব্যবহার শিখে, সেই সাথে পরিবার শিশুর ভরণপোষণ, রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব পালন করে, যার মাধ্যমে মানব শিশুর শারীরিক ও মানুসিকভাবে বেড়ে ওঠে।
উদ্দীপকের রীনার বাবা-মা চাকরিজীবী হওয়ায় অধিকাংশ সময় বাইরে থাকেন। এমতাবস্থায়, যদি রীনার দাদা-দাদি রীনা এবং তার ছোট ভাইয়ের দেখাশোনা, সামাজিকীকরণের দায়িত্ব পালন না করতেন সেক্ষেত্রে রীনা এবং তার ছোট ভাইয়ের মনস্তাত্ত্বিক বিকাশ ঘটত না।ফলে তারা মানসিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ত, সঠিক সময়ে খাবার না। খাওয়া কিংবা বাসায় ঝুঁকিপূর্ণ বিভিন্ন কাজ করতে হতো, যার ফলে মারাত্মক দুর্ঘটনারও সম্ভাবনা থাকত। এছাড়া রীনা ও তার ভাইয়ের শারীরিক-মানসিক স্বাস্থ্য ভেঙে পড়ত। সামাজিকীকরণের অভাবে বিভিন্ন মন্দ কাজ কিংবা নেশায় জড়িয়ে পড়ত।
সর্বোপরি, উপযুক্ত আলোচনা এবং পাঠ্যবইয়ের আলোকে বলা যায়, উদ্দীপকের রীনার দাদা-দাদির অবর্তমানে রীনা ও তার ভাইয়ের শারীরিক ও মনস্তাত্ত্বিক বিকাশে সমস্যা হতো।