উদ্দীপকে মোস্তফা যার অফিসে নিয়োগ পেল তার সাথে জ্ঞাতিসম্পর্কের বন্ধনে আবদ্ধ।
জ্ঞাতিসম্পর্ক বলতে সেই সামাজিক সম্পর্ককে বোঝায় যাতে সমাজের প্রতিটি সদস্য বিভিন্ন সূত্রের মধ্য দিয়ে প্রকৃত ও অনুমিতভাবে রক্ত সম্পর্কের বন্ধনে আবদ্ধ। জাতিসম্পর্কের নানা ধরন রয়েছে। যেমন- জৈবিক, বৈবাহিক, সগোত্রসূচক, কাল্পনিক, প্রথাগত ইত্যাদি। বিবাহের মাধ্যমে যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে তাকে বৈবাহিক জ্ঞাতিসম্পর্ক বলে। কোনো স্বামী বা স্ত্রীর সাথে, শ্বশুর-শাশুড়ী, দেবর-ননদ ও তাদের আত্মীয়স্বনজন এ সম্পর্কের অন্তভূক্ত।
উদ্দীপকে বলা হয়েছে, মোস্তফার দুলাভাই একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা। অফিসে একটি জুনিয়র অফিসার পদ ফাঁকা থাকায় মোস্তফাকে তার দুলাভাই যথাযথ নিয়োগ প্রক্রিয়া অনুসরণ না করেই নিয়োগ দেয়। দুলাভাই তথা বোনের স্বামী যেহেতু বৈবাহিক জ্ঞাতি, সেহেতু বলা যায়, মোস্তফা যার অফিসে নিয়োগ পেল তার সাথে বৈবাহিক জ্ঞাতিসম্পর্কের বন্ধনে আবদ্ধ।