উদ্দীপকে প্রতিফলিত সজল সাহেবের ভূমিকা তথা জ্ঞাতিসম্পর্কের কর্মকাণ্ড সমাজের জন্য ইতিবাচক। নিম্নে তা বিশ্লেষণ করা হলো :
সজল স্ত্রী সন্তান নিয়ে ঢাকায় বসবাস করলেও সে নিয়মিত বাবা-মা এবং অন্যান্য আত্মীয়-স্বজনদের খোঁজখবর রাখেন। এছাড়া তাদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন। পাশাপাশি গ্রামের শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক উন্নয়নের সহায়তা করেন। সজলের এই কর্মকান্ডগুলো ও মূলত জ্ঞাতি সম্পর্কে মনস্তাতিক ও অর্থনৈতিক ভূমিকা কে নির্দেশ করে। সাধারণত জ্ঞাতিদের এসব কর্মকাণ্ড সমাজ জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ইতিবাচক ভূমিকা পালন করে।
অর্থনৈতিক, সামাজিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক সকল কর্মকান্ডেই জ্ঞাতি সম্পর্কের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যে কোন অর্থনৈতিক কর্মকান্ড যেমন ঋণগ্রহণ, সম্পত্তি ক্রয় বিক্রয়, ভূমি বর্গা দেওয়া প্রভৃতি ক্ষেত্রে জ্ঞাতিরাই সবার আগে এগিয়ে আসে। এছাড়াও যে কোন আর্থিক প্রয়োজনে জ্ঞাতিরাই সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেয়। পাশাপাশি ব্যক্তির সামাজিকীকরণ, সামাজিক-সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ, আচার-অনুষ্ঠান পালন প্রভৃতিতে জ্ঞাতিসম্পর্কের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অর্থাৎ সমাজজীবনের সামগ্রিক কর্মকান্ডে জ্ঞাতিরাই একান্ত আপন হিসেবে মুখ্য ভূমিকা পালন করে।
তাই বলা যায়, জ্ঞাতিসম্পর্কের কর্মকাণ্ড সমাজের জন্য ইতিবাচক।