উদ্দীপকে বৈবাহিক সম্পর্কের জ্ঞাতির কথা বলা হয়েছে। উক্ত জ্ঞাতি ছাড়াও পাঠ্য বইয়ে জ্ঞাতির আরও কিছু বিভাজন লক্ষণীয় - নিম্নে উক্তিটি বিশ্লেষণ করা হলো : সমাজ সংগঠনের মূল প্রতিপাদ্য হচ্ছে জ্ঞাতি সম্পর্ক। আমাদের সমাজে মোট চার ধরনের জ্ঞাতি সম্পর্ক ও বিদ্যমান। একটি হচ্ছে জৈবিক বা রক্ত সম্পর্কিত বন্ধন। সাধারণত রক্তের সম্পর্কের মাধ্যমে যে জ্ঞাতি সম্পর্ক সৃষ্টি হয় তাকে জৈবিক বা রক্ত সম্পর্কিত জ্ঞাতি সম্পর্ক বলা হয়। যেমন পিতা-মাতা ও সন্তানের মধ্যে সম্পর্ক। আবার আরেকটি জ্ঞাতি সম্পর্ক হচ্ছে কাল্পনিক জ্ঞাতি সম্পর্ক। বৈবাহিক বন্ধন এবং রক্ত সম্পর্কিত বন্ধন বহির্ভূত কোন ব্যক্তির সাথে যখন স্বাভাবিকভাবে সম্পর্ক গড়ে ওঠে তখন সেটি কাল্পনিক জ্ঞাতি সম্পর্ক। যেমন : চাচা কাকা ইত্যাদি। এছাড়াও আরেক ধরনের জ্ঞাতি সম্পর্ক লক্ষ্য করা যায়। এটি হচ্ছে কৃত্রিম বা প্রথাগত জ্ঞাতি সম্পর্ক। এই সম্পর্ককে আত্মীয়তার সম্পর্ক বলা হয়। যেমন পাড়া-প্রতিবেশী, চেনা পরিচিত, ধর্মীয় আদর্শ ব্যক্তি ইত্যাদির সাথে গড়ে ওঠা সম্পর্কই প্রথাগত জ্ঞাতি সম্পর্ক। উপরি উল্লিখিত আলোচনায় দেখা যায়, উদ্দীপকে উল্লেখিত বৈবাহিক সম্পর্কের জ্ঞাতি ছাড়াও জ্ঞাতি সম্পর্কে আরো কিছু বিভাজন রয়েছে। তাই বলা যায়, উক্ত জ্ঞাতি ছাড়াও পাঠ্য বইয়ে জ্ঞাতির আরও কিছু বিভাজন লক্ষণীয় - উক্তিটি যথার্থ।