সমাজ জীবনে উক্ত উক্ত প্রত্যয় তথা জ্ঞাতিসম্পর্ক গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে। নিম্নে তা বিশ্লেষণ করা হলো :
সাধারণত জ্ঞাতি সম্পর্কের মাধ্যমে মানুষ সুসংগঠিত হয়। তাদের মধ্যে সৃষ্টি হয় সম্পর্কের জটিল জাল। সমাজ জীবনে সামাজিক দল গঠন, আচার-আচরণ নিয়ন্ত্রণে জ্ঞাতি সম্পর্ক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। পরিবার এবং সমাজের কাঠামো তথা গড়নের ক্ষেত্রে জ্ঞ্যাতিসম্পর্কের বন্ধন কোনভাবেই উপেক্ষা করা যায় না। জ্ঞাতিবন্ধনে আবদ্ধ ব্যক্তির অ্যাপরসর দায়িত্ব ও কর্তব্যের জালে আবদ্ধ। জ্ঞাতিরাই আমাদের পারিবারিক ঐতিহ্য ধরে রাখার জন্য ধর্মীয় শিক্ষার মাধ্যমে যুগোপযোগী করে গড়ে তোলে। জ্ঞাতিদের হাতে সামাজিকীকরণের কাজ সম্পন্ন হয়।
এছাড়া অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেও জ্ঞাতিদের যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। সম্পত্তি ক্রয়-বিক্রয়, জমি বর্গা দেয়া-নেয়া সহ অন্যান্য অনেক পারস্পরিক আদান-প্রদানে জ্ঞাতিদের লক্ষ্য করা যায়। সম্পত্তি হস্তান্তরের ক্ষেত্রেও জ্ঞাতির প্রভাব-প্রাধান্য লক্ষণীয়। এছাড়া ও কৃষি কর্ম ও ব্যবসায়ের মতো বিভিন্ন অর্থনৈতিক কর্মকান্ডেও নিয়োজিত মানুষেরা তাদের জ্ঞাতিদের মধ্য থেকে শ্রমিক নিয়োগ পছন্দ করে। ব্যক্তি হোক আর গোষ্ঠী জ্ঞাতিদের সাহায্য ও সহযোগিতা ছাড়া বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠা লাভ করা কষ্টসাধ্য।
তাই বলা যায়, সমাজ জীবনে জ্ঞাতিসম্পর্ক গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে।