প্রচলিত পদ্ধতির চেয়ে সত্য সারণির কৌশল বৈধতা নির্ণয়ে অধিক শ্রেয়- উক্তিটি যথার্থ।
প্রাত্যহিক জীবনে সাধারণ ভাষার মাধ্যমে বাক্যের সত্যমান ও যুক্তির বৈধমান এবং যৌক্তিক যোজকগুলোর অর্থ ও তাৎপর্য নির্ণয় করার ক্ষেত্রে আমরা প্রায়ই নানাবিধ জটিলতার সম্মুখীন হই এবং এতে যেমন অনেক সময় ব্যয় হয় তেমনি আবার বিভিন্ন রকম ত্রুটি-বিচ্যুতি ঘটারও সম্ভাবনা থাকে। যেমন- আমরা যদি বলি, যদি বৃষ্টি হয় তাহলে মাটি ভিজবে, বৃষ্টি হয়েছে। ... মাটি ভিজেছে।
এক্ষেত্রে বৃষ্টি হওয়ার মাধ্যমে মাটি ভেজার বিষয়টির সত্যতা নির্ধারণ করা হয়েছে। কিন্তু এমনও হতে পারে যে, বৃষ্টি হয়নি তাসত্ত্বেও মাটি ভিজেছে। যেক্ষেত্রে জটিলতার সৃষ্টি হয় এবং সিদ্ধান্তের নিশ্চয়তা বাধাগ্রস্ত হয়। অন্যদিকে, আমরা যুক্তির বৈধমান এবং যৌক্তিক যোজকের অর্থ ও তাৎপর্য নির্ণয় করি। তাহলে যেমন সময় সাশ্রয় হয় তেমনি ভুল হওয়ার সম্ভাবনাও অনেকাংশে কমে যায়। আবার এতে ভাষাগত জটিলতারও সম্মুখীন হতে হয় না। সুতরাং উপরের আলোচনা থেকে আমরা বলতে পারি, প্রচলিত পদ্ধতির চেয়ে সত্য সারণির মাধ্যমে বৈধতা নির্ণয় অধিক শ্রেয়।