উদ্দীপকে দ্বিতীয় বন্ধুর বনে বৃক্ষ নিধনও পরিবেশ ধ্বংসের কারণ বক্তব্যের মাধ্যমে কার্য-কারণ নিয়মের কারণ এর দিকটি উল্লিখিত হয়েছে। নিচে এর পরিমাণগত বৈশিষ্ট্য মূল্যায়ন করা হলো-কারণের পরিমাণগত বৈশিষ্ট্যের মূল কথা হলো, পরিমাণের দিক দিয়ে কারণ ও কার্য সমপরিমাণ। কারণের মধ্যে যে বস্তু ও শক্তি নিহিত থাকে তার পরিমাণ কার্যের বস্তু ও শক্তির সমান। এ বিষয়টিকে দু'টি নিয়মের সাহায্যে ব্যাখ্যা করা যায়। ১. বস্তুর অবিনশ্বরতা নিয়ম। ২. শক্তির অবিনশ্বরতা নিয়ম। বস্তুর অবিনশ্বরতা নিয়ম অনুসারে এক প্রকারের বস্তু অন্য প্রকারের। বস্তুতে রুপান্তরিত হতে পারে। বস্তুর আকার, গঠন ও প্রকৃতি পরিবর্তন হতে পারে, কিন্তু বস্তুর পরিমাণের কোনো হ্রাস-বৃদ্ধি হয় না। তাই বিশ্ব জগতের বস্তুর সামগ্রিক পরিমাণ সব সময়ই অপরিবর্তিত থাকে। শক্তির অবিনশ্বরতা নিয়ম অনুসারে একপ্রকারের শক্তি অন্য প্রকারের শক্তিতে রূপান্তরিত হতে পারে। শক্তির রূপের পরিবর্তন ঘটতে পারে। কিন্তু শক্তির পরিমাণের কোনো পরিবর্তন হয় না। তাই বিশ্ব জগতের 'সামগ্রিক শক্তির পরিমাণ সব সময়ই এক ও অভিন্ন।উদ্দীপকে দ্বিতীয় বন্ধুর কথায় বোঝা যায়, যে পরিমাণ বৃক্ষ নিধন হচ্ছে সেই পরিমাণই পরিবেশ ধ্বংস হচ্ছে। এখানে বৃক্ষ নিধন = কারণ ও পরিবেশ ধ্বংস = কার্য।