উদ্দীপকের দৃশ্যকল্প-১-এর প্রশ্নবোধক স্থানে (?) আরোহের আকারগত ভিত্তির প্রতিফলন ঘটেছে।ব্যাখ্যা করা হলো-যেসব বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে আরোহ অনুমানের আকারগত দিক গড়ে ওঠে তাকে আরোহের আকারগত ভিত্তি বলে। আরোহের আকারগত ভিত্তির দুটি দিক আছে। যথা- প্রকৃতির নিয়মানুবর্তিতা নীতি ও কার্যকারণ নিয়ম। উভয় নীতিই আরোহের মৌলিক নীতি। তাই এক কথায় এই নীতির সংজ্ঞা প্রদান করা যায় না। প্রকৃতির নিয়মানুবর্তিতা নীতি সম্পর্কে বলা হয় যে, প্রকৃতি একই অবস্থায় একই রূপ আচরণ করে। প্রকৃতিতে খামখেয়ালির কোনো স্থান নেই। প্রকৃতি তাই সর্বত্র নিয়ম দ্বারা পরিচালিত। কার্যকারণ নিয়ম অনুযায়ী কারণ ও কার্যের মধ্যে আবশ্যিক সম্পর্ক বিদ্যমান। প্রতিক্ষেত্রে একই কারণ একই কার্য ঘটায়। আর কারণ থাকে আগে এবং কার্য থাকে। কারণের পরে। জগতের প্রতিটি ঘটনাই কার্যকারণ শৃঙ্খলে যুক্ত। উদ্দীপকের দৃশ্যকল্প-১-এ বসন্তে কোকিল ডাকে, শীতের আগমনে শীত পড়ে, গ্রীষ্মকালে গরম পড়ে, আকাশে মেঘ হলে বৃষ্টি হয়, আগুনে হাত দিলে হাত পুড়ে, পানি ঠান্ডা করলে বরফ হয় ইত্যাদি বিষয় উপস্থাপন করা হয়েছ যা প্রকৃতির নিয়ম ও কার্যকারণ নিয়মের সাথে যুক্ত। অর্থাৎ, দৃশ্যকল্প-১'-এর মাধ্যমে প্রকৃতির নিয়মানুবর্তিতা নীতি ও কার্যকারণ নিয়ম নির্দেশিত হয়েছে যেগুলো মিলিতভাবে আরোহের আকারগত ভিত্তি। তাই দৃশ্যকল্প-১ এর প্রশ্নবোধক স্থানে (?) আরোহের আকারগত ভিত্তির প্রতিফলন ঘটেছে।'