দৃশ্যকল্প-১ এ কার্যকারণ নিয়ম' এবং দৃশ্যকল্প-২ এ প্রকৃতির নিয়মানুবর্তিতা নীতির ইঙ্গিত পাওয়া যায়। আরোহের আকারগত ভিত্তি হিসেবে উভয়ে একে অপরের পরিপূরক প্রক্রিয়া।নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো-কার্যকারণ নিয়ম অনুযায়ী জগতের প্রতিটি ঘটনায় কার্যকারণ শৃঙ্খলে যুক্ত। জগতে কোনো ঘটনা বিনা কারণে ঘটে না। তাই কারণ ও কার্যের মধ্যে অনিবার্য সম্পর্ক বিদ্যমান।উদ্দীপকের দৃশ্যকল্প-১ এ বলা হয়েছে, এডিস মশার জীবাণুর সাথে ডেঙ্গু জ্বরের যে সম্পর্ক তা কার্যকারণ নির্ভর। অপরদিকে, প্রকৃতির নিয়মানুবর্তিতা নীতি আরোহের আকারগত ভিত্তির অন্যতম অংশ। বিশেষ অনুমান থেকে সার্বিক অনুমানে গমনের ক্ষেত্রে প্রকৃতির নিয়মানুবর্তিতা নীতি অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে। এটি আরোহের একটি স্বতঃসিদ্ধ নীতি। যেমন—দৃশ্যকল্প-২ এ বর্ণিত, 'বনের পশুদের সবাই হিংস্র। বাঘ যেহেতু বনের পশু তাই বাঘও হিংস্র পশু।' যুক্তিবিদদের মতে, প্রকৃতির সর্বত্র একই রূপ বিরাজমান— এ বিষয়টি প্রকৃতির নিয়মানুবর্তিতা নীতির মাধ্যমে উল্লেখ করা হয়। আরোহ অনুমানের উদ্দেশ্য হচ্ছে আকারগত ও বস্তুগত সত্যতা অর্জন করা। আকারগত সত্যতা অর্জনের জন্য আরোহ অনুমানে প্রকৃতির নিয়মানুবর্তিতা নীতি ও কার্যকারণ নিয়মের ওপর নির্ভর করতে হয়।তাই বলা যায় যে, কার্যকারণ নিয়ম ও প্রকৃতির নিয়মানুবর্তিতা নীতির কারণে দৃশ্যকল্প-১ ও দৃশ্যকল্প-২ একে অপরের পরিপূরক প্রক্রিয়া ।