দৃশ্যকল্প-২ এর মাধ্যমে আরোহের আকারগত ভিত্তি হিসেবে কার্যকারণ নিয়ম প্রতিফলিত হয়েছে। কেননা এখানে একটি কার্য এবং তার কারণকে উল্লেখ করা হয়েছে।
আরোহের ক্ষেত্রে আকার গঠনে কার্যকারণ নিয়ম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই নিয়মানুযায়ী জগতের প্রতিটি ঘটনারই কারণ আছে এবং প্রতিক্ষেত্রে একই কারণ একই কার্য উৎপন্ন করে। তাই এই নিয়ম অনুযায়ী কারণ ও কার্য আবশ্যিকভাবে যুক্ত।
দৃশ্যকল্প-২ এ মশার কামড়কে ম্যালেরিয়া রোগের কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। অর্থাৎ, এখানে কারণ এবং কার্যের উল্লেখ রয়েছে। তাই দৃশ্যকল্প-২ এর মাধ্যমে কার্যকারণ তত্ত্ব নির্দেশিত হয়েছে। বস্তুত কারণ কার্যের আগে ঘটে। এটি কার্যের অব্যবহিত পূর্ববর্তী ঘটনা। অর্থাৎ, কারণ কার্যের পূর্বে অবস্থান করে এবং এটি কার্যের শর্তহীন পূর্ববর্তী ঘটনা। প্রতিক্ষেত্রে একই কারণ একই কার্য উৎপন্ন করে। প্রতিটি ঘটনাই কার্যকারণ -শৃঙ্খলে যুক্ত। আর পরিমাণের দিক থেকে কারণ ও কার্য পরস্পর সমান। অর্থাৎ, কারণের মধ্যে যে পরিমাণ বস্তু ও শক্তি থাকবে কার্যের মধ্যেও সে পরিমাণ বস্তু ও শক্তি থাকবে।
পরিশেষে বলা যায়, দৃশ্যকল্প-২ এ কার্যকারণ নিয়ম প্রতিফলিত হয়েছে যা কোনো ঘটনার প্রকৃত ব্যাখ্যা করে।