উদ্দীপকের ডাঃ রহমান আরোহের যুক্তিযুক্ত স্তর অনুসরণ করেছেন। কেননা তিনি প্রাথমিক বিভিন্ন অবস্থা পর্যবেক্ষণ থেকে শুরু করে সর্বশেষ সিদ্ধান্ত গ্রহণ পর্যন্ত অর্থাৎ, সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নিজস্ব পরামর্শ দিয়েছেন।
আরোহ অনুমানে সার্বিক সংশ্লেষক সিদ্ধান্ত প্রতিষ্ঠা করা হয়। এখানে বিশেষ বিশেষ দৃষ্টান্ত পর্যবেক্ষণ করা হয়। তারপর ঐ পর্যবেক্ষণের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। তাই বলা যায়, যে অনুমানে বিশেষ বিশেষ দৃষ্টান্তের পর্যবেক্ষণের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে সার্বিক সংশ্লেষক সিদ্ধান্ত প্রতিষ্ঠা করা হয় তাকে আরোহ অনুমান বলে।
আরোহের অনুমানে সাধারণ পর্যবেক্ষণ থেকে সার্বিক সংশ্লেষক সিদ্ধান্ত প্রতিষ্ঠা করতে অনেকগুলো পর্যায় অতিক্রম করতে হয়। এই পর্যায়গুলোকে আরোহের স্তর বলে। আরোহের এই স্তরগুলো হলো সংজ্ঞায়ন, নিরীক্ষণ, বিশ্লেষণ, অপনয়ন, প্রকল্প প্রণয়ন, শ্রেণিকরণ, সার্বিকীকরণ, যাচাইকরণ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ। আরোহ অনুমান বিশেষ থেকে সার্বিকে গমনের একটি প্রক্রিয়া। এই প্রকার অনুমানের সিদ্ধান্ত তাই সব সময় আশ্রয়বাক্য থেকে বেশি ব্যাপক হয়। আর এই সিদ্ধান্ত প্রতিষ্ঠা করা হয় বিশেষ বিশেষ দৃষ্টান্তের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে। কতকগুলো স্তর অতিক্রম করে যাচাইকরণের মাধ্যমে সিদ্ধান্তের যথার্থতা প্রমাণিত হলেই সার্বিক সিদ্ধান্ত প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হয় যা বৈজ্ঞানিক সত্যের মর্যাদা লাভ করে।
উদ্দীপকের ডাঃ রহমান রোজীর অসুস্থতার জন্য বিভিন্ন প্রক্রিয়ার পর অবশেষে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি অনুযায়ী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন। তাই তিনি আরোহের যুক্তিযুক্ত স্তর অনুসরণ করেছেন।