শিক্ষকের বক্তব্য দুটিতে আরোহের আকারগত ভিত্তি প্রকৃতির নিয়মানুবর্তিতা নীতি ও কার্যকারণ নীতির কথা এসেছে।
যথাক্রমে আরোহের আকারগত ভিত্তি হলো দুটি। যথা- প্রকৃতির নিয়মানুবর্তিতা নীতি ও কার্যকারণ নীতি। প্রকৃতির নিয়মানুবর্তিতা নীতি অনুযায়ী প্রকৃতি অনুকূল পরিবেশে সর্বদা একই আচরণ করে। এই নিয়ম অনুসারে, 'প্রকৃতি নিয়মের দাস', 'ভবিষ্যৎ অতীতের অনুরূপ', 'প্রকৃতি নির্দিষ্ট নিয়ম দ্বারা পরিচালিত' এসব বক্তব্যের দ্বারা প্রকৃতির রূপ বোঝা যায়। অর্থাৎ প্রকৃতি একইরূপ পরিস্থিতিতে সব সময় একইভাবে আচরণ করে। আর কার্যকারণ নিয়ম অনুসারে কোনো কার্য যা সংঘটিত হয়েছে তার একটি কারণ আছে। তাই বলা যায়, যে মতবাদ অনুযায়ী কারণ ও কার্যের মধ্যে আবশ্যিক সম্পর্ক বিদ্যমান এবং প্রতিক্ষেত্রে একই কারণ একই কার্য ঘটায় সেই মতবাদকে কার্যকারণ নিয়ম বলে।
উদ্দীপকের আসিফ ও শোভন সব সময় কলেজের নিয়ম মেনে চলে । তাদের শিক্ষক বলেছিলেন, আমাদের দেহ-যন্ত্র থেকে শুরু করে এ বিশ্বজগতের সব জায়গায় চলছে নিয়মের রাজত্ব । আমাদের সুন্দর হতে হলে অবশ্যই এ নিয়মের অনুসরণ করতে হবে। যা প্রকৃতির নিয়মানুবর্তিতা নীতিকে নির্দেশ করে। আবার, তাদের শিক্ষক বলেছেন, পড়ালেখা না করে ভালো ফলাফল করা যায় না এটা যেমন সত্য তেমনি এটাও সত্য, খাবার না খেলে খিদে মেটে না। অর্থাৎ কোনো কার্য উৎপন্ন হওয়ার জন্য একটা কারণ প্রয়োজন । তাই বলা যায়, উদ্দীপকে প্রকৃতির নিয়মানুবর্তিতা নীতি ও কার্য-কারণ নীতি নির্দেশিত হয়েছে।