তথ্য-১ ও তথ্য-২ দ্বারা পাঠ্যবইয়ের স্বাভাবিক সংকেত ও কৃত্রিম সংকেত বিষয়কে নির্দেশ করে।যে সংকেত ব্যক্তির ইচ্ছা নিরপেক্ষভাবে কোনো কিছু নির্দেশ করে তাকে স্বাভাবিক সংকেত বলে। অন্যভাবে বলা যায়, যখন প্রকৃতির বুকে প্রতিনিয়ত ঘটা বিভিন্ন ঘটনা থেকে প্রাপ্ত অভিজ্ঞতা অন্য কোনো ঘটনা ঘটার সংকেত হিসেবে ব্যবহার করা হয় তাকে স্বাভাবিক সংকেত বলে। যেমন- 'ধোঁয়া' আগুনের সংকেত। অপরদিকে, দৈনন্দিন ব্যবহারের মাধ্যমে যেসকল সংকেত বিশেষভাবে অর্থপূর্ণ হয় তাকে কৃত্রিম সংকেত বলে। যেমন- সেনাবাহিনীর বিউগল বাজানো শোকের সংকেত।উদ্দীপকের তথ্য-১-এ আকাশে ঘন কালো মেঘ দেখে মাঝিরা ঝড়- বৃষ্টির সংকেত পায় যা স্বাভাবিক সংকেত। অপরদিকে, রাস্তায় লালবাতি জ্বলে উঠায় গাড়ী থামে এবং সবুজ বাতি জ্বলে উঠায় গাড়ী চলতে শুরু করে। এই লালবাতি ও সবুজবাতি কৃত্রিম সংকেত। মূলত, স্বাভাবিক সংকেত প্রকৃতি প্রদত্ত এবং কৃত্রিম সংকেত মানুষ সৃষ্টি করে। আমাদের চারপাশের প্রকৃতি থেকে অভিজ্ঞতার মাধ্যমে আমরা যে সংকেত পাই তা স্বাভাবিক সংকেত। আর নিজেদের প্রয়োজনে আমরা যেসব সংকেত ব্যবহার করি তা কৃত্রিম সংকেত।ওপরের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায় যে, স্বাভাবিক ও কৃত্রিম উভয় সংকেতের মধ্যে পার্থক্য বিদ্যমান থাকলেও উভয় প্রকার সংকেতই আমরা প্রাত্যহিক জীবনে ব্যবহার করি।