রীমনের পতাকা শনাক্তকরণ যেভাবে তার পরিচিতি প্রকাশ করেছে এবং ভাষাগত সীমাবদ্ধতাকে অতিক্রম করেছে তা বিশ্লেষণ ও মূল্যায়ন কর।
উত্তর: উদ্দীপকের রীমন যেভাবে পতাকা শনাক্ত করেছে তা হলো প্রতীক দেখে। বাংলাদেশের প্রতীকের (পতাকা) মাধ্যমে সে ভাষাগত সীমাবদ্ধতা অতিক্রম করেছে। প্রতীক হলো এক প্রকার চিহ্ন বা সংকেত। আমরা সচেতনভাবে প্রতীক ব্যবহার করি কোনোকিছু বোঝাতে। প্রতীক দ্বারা সহজে কোনোকিছুকে বোঝানো যায়। ভাষাকে যদি প্রতীকায়িত করা যায় তাহলে প্রতীকের মাধ্যমে ভাষাগত সীমাবদ্ধতা, অতিক্রম করা যায়। কেননা ভাষাগত সীমাবদ্ধতা বিভিন্ন জাতিতে, বিভিন্ন স্থানে বিদ্যমান।। এক দেশ থেকে অন্য দেশের ভাষা ভিন্ন, এক জাতি থেকে অন্য জাতির ভাষা ভিন্ন এভাবে ভাষাগত, সীমাবদ্ধতা বিদ্যমান থাকে। কিন্তু প্রতীক সব জায়গায় একই রকম। স্থান-কাল-পাত্রভেদে প্রতীক সব সময় একই রকম থাকে। এছাড়া ভাষার দ্ব্যর্থকতা, অস্পষ্টতা, ব্যবহারজনিত তারতম্য, সমোচ্চারিত শব্দ ইত্যাদি ভাষার ক্ষেত্রে বিঘ্ন সৃষ্টি করে। প্রতীক ব্যবহারের মাধ্যমে এসব বিষয়ও দূর করা যায়। পরিশেষে বলা যায়, প্রতীক ব্যবহারের মাধ্যমে ভাষাগত দোষত্রুটি, ও সীমাবদ্ধতা পরিহার করা যায়। তাই এক্ষেত্রে প্রতীক খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
HSC Logic 1st Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Logic 1st Paper · সৃজনশীল
রীমনের পতাকা শনাক্তকরণ যেভাবে তার পরিচিতি প্রকাশ করেছে এবং ভাষাগত স…
উদ্দীপক
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর