দৃশ্যকল্প-২ এ শফিক সাহেবের বক্তব্য থেকে দৃশ্যকল্প-৩ এর সাবের সাহেবের বক্তব্য পৃথক কেন? বিধেয়কের আলোকে আলোচনা করো।
উত্তর: দৃশ্যকল্প-২ এ শফিক সাহেবের বক্তব্যে উপলক্ষণ এবং দৃশ্যকল্প-৩ এ সাবের সাহেবের বক্তব্যে অবান্তর লক্ষণ নামক বিধেয়কের ইঙ্গিত পাওয়া যায়।জাত্যর্থ বা এর অংশ থেকে অনিবার্যভাবে নিঃসৃত গুণকে উপলক্ষণ বলে। যেমন- চিন্তাশীল গুণটি মানুষ পদের জাত্যর্থের অংশ নয়। কিন্তু গুণটি 'বুদ্ধিবৃত্তি' নামক জাত্যর্থ থেকে অনিবার্যভাবে নিঃসৃত। এ কারণে এটি উপলক্ষণ। অন্যদিকে, অবান্তর লক্ষণ হচ্ছে পদের এমন গুণ যা কোনো পদের জাত্যর্থের অংশ নয় বা জাত্যর্থ থেকে অনিবার্যভাবে নিঃসৃতও নয়। কিন্তু পদের মধ্যে এই গুণগুলোর উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। অবান্তর লক্ষণ একটি পদ সম্পর্কে নতুন তথ্য প্রদান করে। যেমন- 'অনেক মানুষের চুল কালো' এ বাক্যে চুল কালো থাকার গুণটি মানুষ পদের অবান্তর লক্ষণ।উদ্দীপকে দৃশ্যকল্প-২ এ শফিক সাহেব মানুষের 'চিন্তাশক্তি' ও 'বিচারশক্তি' নামক যে গুণ দুটি উল্লেখ করেছেন তা 'বুদ্ধিবৃত্তি' নামক জাত্যর্থ থেকে অনিবার্যভাবে নিঃসৃত। তাই এটি উপলক্ষণ কে নির্দেশ করে। অন্যদিকে দৃশ্যকল্প-৩ এ মানুষের 'বন্ধুবৎসল "রুচিশীল' এবং 'সামাজিক জীব'। গুণগুলো উল্লেখ করা হয়েছে যা অবান্তর লক্ষণকে নির্দেশ করে।সুতরাং উপলক্ষণ ও অবান্তর লক্ষণ নামক বিধেয়ক দুটির মধ্যে যথেষ্ট পার্থক্য বিদ্যমান থাকায় বিধেয়ক দুটি একে অপর থেকে পৃথক।
HSC Logic 1st Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Logic 1st Paper · সৃজনশীল
দৃশ্যকল্প-২ এ শফিক সাহেবের বক্তব্য থেকে দৃশ্যকল্প-৩ এর সাবের সাহেবে…
উদ্দীপক
Jessore · 2019
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর