কবিতা ও লিলির বক্তব্যে যে দুপ্রকার বিধেয়ক রয়েছে তাদের পারস্পরিক সম্পর্ক বিশ্লেষণ করো।
উত্তর: কবিতা ও লিলির বক্তব্যে যথাক্রমে উপলক্ষণ ও অবান্তর লক্ষণ নামক বিধেয়কের প্রকাশ দেখা যায়।যে গুণ কোনো একটি পদের জাত্যর্থ বা জাত্যর্থের অংশ নয়। কিন্তু জাত্যর্থ বা এর কোনো অংশ থেকে অনির্দিষ্টভাবে নিঃসৃত হয় তাকে উপলক্ষণ বলে। অর্থাৎ উপলক্ষণ এমন গুণ যা জাত্যর্থের অংশ না হলেও জাত্যর্থের সাথে অনিবার্যভাবে যুক্ত। আবার যে গুণ বা গুণাবলী কোনো পদের জাত্যর্থ বা জাত্যর্থের অংশ নয়, তাকে অবান্তর লক্ষণ বলে। অর্থাৎ অবান্তর লক্ষণ কোনো পদের জাত্যর্থের অতিরিক্ত ভিন্ন ধরনের কিছু গুণ বা বৈশিষ্ট্যকে নির্দেশ করে।উদ্দীপকে কবিতার বক্তব্যে ক্ষুধা তৃষ্ণা ও মরণশীলতার উল্লেখ পাওয়া যায়। এগুলো প্রাণীর জাত্যর্থের অংশ নয়। কিন্তু জীববৃত্তি থেকে অনিবার্যভাবে নিঃসৃত। কেননা জীববৃত্তি থাকলে ক্ষুধা, তৃষ্ণা ও মৃত্যু থাকবেই। তাই ক্ষুধা তৃষ্ণা ও মরণশীলতা গুণগুলি উপলক্ষণ। লিলির বক্তব্যে দেখা যায় মানুষ সুন্দর পোশাক পরে, ছবি আঁকে, গল্প গাইতে পারে। এই গুণগুলো মানুষের জাত্যর্থ বা জাত্যর্থের অংশ নয়, জাত্যর্থ থেকে নিঃসৃত নয়। তাই এগুলো অবান্তর লক্ষণের নির্দেশক।পরিশেষে বলা যায়, উপলক্ষণ ও অবান্তর লক্ষণ উভয়ই বিধেয়কের দুইটি প্রকার। উভয়ই যথাক্রমে মানুষ ও অন্যান্য প্রাণীর জাত্যর্থ থেকে নিঃসৃত ও জাত্যর্থ বহিভূর্ত গুণাবলী নিয়ে আলোচনা করে।
HSC Logic 1st Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Logic 1st Paper · সৃজনশীল
কবিতা ও লিলির বক্তব্যে যে দুপ্রকার বিধেয়ক রয়েছে তাদের পারস্পরিক সম্…
উদ্দীপক
Dinajpur · 2019
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর