বিধেয়কের আলোকে সুজন ও সফিকের বক্তব্যের তুলনামূলক আলোচনা কর।
উত্তর: উদ্দীপকে সুজনের বক্তব্যে বিভেদক লক্ষণ এবং সফিকের বক্তব্যে অবান্তর লক্ষণের ধারণা ফুটে উঠছে। নিচে উভয় বিধেয়কের মধ্যে তুলনামূলক আলোচনা করা হলো- সাধারণভাবে বিভেদক লক্ষণ বলতে বিভেদক বা পার্থক্য করার গুণকে বোঝায়। যে গুণ বা গুণাবলি কোনো জাতির অন্তর্গত অন্যান্য উপজাতি থেকে একটি বিশেষ উপজাতিকে পৃথক করে সেই গুণ বা গুণাবলিকে বিভেদক লক্ষণ বলে। বিভেদক লক্ষণ কোনো উপজাতির সারসত্তাকে প্রকাশ করে। পাশাপাশি অন্যান্য উপজাতি থেকে আলাদা বলে বিবেচিত হয়। যেমন- মানুষের বিভেদক লক্ষণ হচ্ছে বুদ্ধিবৃত্তি। আবার, যে গুণ বা গুণাবলি কোনো পদের জাত্যর্থ বা জাত্যর্থের অংশ নয়, এমনকি জাত্যর্থ থেকে অনিবার্যভাবে নিঃসৃত নয়, তাকে অবান্তর লক্ষণ বলে। অবান্তর লক্ষণ কোনো পদের জাত্যর্থের অতিরিক্ত ভিন্ন ধরনের কিছু গুণকে নির্দেশ করে। যেমন, মানুষ নয় বুদ্ধিসম্পন্ন শ্বেতাঙ্গ জীব। উদ্দীপকে, সুজনের বক্তব্যে মানুষের যে বিশেষ ক্ষমতার কথা বলা হয়েছে তা হলো বুদ্ধিবৃত্তি। আর এই বুদ্ধিবৃত্তি মানুষকে অন্যান্য সকল প্রাণী থেকে পৃথক করে বলে এটি হলো মানুষের বিভেদক লক্ষণ। আবার, সফিকের বক্তব্যে মানুষের যে উদারতা ও মমতার কথা বলা হয়েছে তা মানুষের জাত্যর্থ নয় বা জাত্যর্থ থেকে নিঃসৃতও নয়, তাই এটি অবান্তর লক্ষণ। সুতরাং আমরা সুজন ও সফিকের বক্তব্যের তুলনামূলক বিশ্লেষণে বলতে পারি, সুজনের বক্তব্য বিভেদক লক্ষণকে নির্দেশ করে বা জাত্যর্থের অংশ এবং সফিকের বক্তব্য অবান্তর লক্ষণকে নির্দেশ করে যা জাত্যর্থের অংশ নয় বা জাত্যর্থ থেকে নিঃসৃতও নয়। অর্থাৎ বিভেদক লক্ষণ ও অবান্তর লক্ষণ পরস্পর ভিন্ন।
HSC Logic 1st Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Logic 1st Paper · সৃজনশীল
বিধেয়কের আলোকে সুজন ও সফিকের বক্তব্যের তুলনামূলক আলোচনা কর।
উদ্দীপক
Dinajpur · 2017
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর