জাত্যর্থের সাথে লক্ষণের এক গভীর সম্পর্ক বিদ্যমান।
যখন কোনো পদ বিশেষ বস্তু বা বস্তুসমূহের অন্তর্গত সাধারণ ও আবশ্যিক গুণসমূহকে নির্দেশ করে তখন সেই সাধারণ আবশ্যিক গুণসমূহকেই সংশ্লিষ্ট পদের জাত্যর্থ বলে। যেমন- মানুষ পদের জাত্যর্থ হচ্ছে জীববৃত্তি ও বুদ্ধিবৃত্তি নামক দুটি গুণ।
অন্যদিকে যে গুণ বা গুণসমূহ একটি জাতির অন্তর্গত একটি উপজাতিকে অন্যান্য উপজাতি থেকে পৃথক করে তাকেই লক্ষণ বলে।
যেমন মানুষের জাত্যর্থ জীববৃত্তি ও বুদ্ধিবৃত্তি। মানুষের বুদ্ধিবৃত্তি গুণটি মানুষকে অন্যান্য উপজাতি যেমন গরু, ছাগল, হাতি, ঘোড়া থেকে আলাদা করেছে। তাই বুদ্ধিবৃত্তি গুণটি মানুষের লক্ষণ বা বিভেদক লক্ষণ। অর্থাৎ বিভেদক লক্ষণ কোনো পদের জাত্যর্থেরই অংশবিশেষ।