উদ্দীপক-১ এর বৃদ্ধিবৃত্তিসম্পন্ন গুণটি বিধেয়কের প্রকারভেদ বিভেদক লক্ষণকে নির্দেশ করে। কেননা এ গুণটির কারণে মানুষ অন্যান্য প্রাণী থেকে আলাদা। উদ্দীপকে 'বৃদ্ধিবৃত্তিসম্পন্ন' গুণটির কারণে 'মানুষ' অন্যান্য প্রাণী যেমন- কুকুর, ছাগল, ঘোড়া ইত্যাদি থেকে আলাদা। এটি বিধেয়ক হিসেবে বিভেদক লক্ষণকে নির্দেশ প্রদান করে। উদ্দীপকে 'মানুষ'কে বুদ্ধিবৃত্তিসম্পন্ন জীব হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। আর বলা হয়েছে, একটি গুণের কারণে 'মানুষ' অন্যান্য প্রাণী যেমন- কুকুর, ছাগল, ঘোড়া ইত্যাদি থেকে আলাদা। এর মাধ্যমে বিভেদক লক্ষণের নির্দেশ পাওয়া যায়। কেননা বিধেয়কের প্রকারভেদ হিসেবে বিভেদক লক্ষণ এমন গুণ, যা কোনো জাতি বা শ্রেণিকে সমজাতীয় অন্যান্য জাতি বা শ্রেণি থেকে পৃথক করে। যেমন- 'বুদ্ধিবৃত্তি' গুণটির কারণে 'মানুষ' সমজাতীয় অন্যান্য জাতি বা শ্রেণি থেকে পৃথক। কেননা বুদ্ধিবৃত্তির কারণে মানুষ অন্যান্য প্রাণী যেমন- কুকুর, ছাগল, ঘোড়া, বাঘ, সিংহ, গরু ইত্যাদি প্রাণী থেকে পৃথক। যেহেতু 'বুদ্ধিবৃত্তিসম্পন্ন' গুণটি 'মানুষ' ও অন্যান্য প্রাণীর মধ্যে বিভেদ তৈরি করেছে বা পৃথক করেছে, তাই 'বুদ্ধিবৃত্তি' মানুষ পদের বিভেদক লক্ষণ। এমনিভাবে বিভেদক লক্ষণ কোনো জাতি বা শ্রেণিকে সমজাতীয় অন্যান্য জাতি বা শ্রেণি থেকে পৃথক করে। যেহেতু উদ্দীপকে 'মানুষ' এর 'বুদ্ধিবৃত্তিসম্পন্ন' গুণটি উল্লেখ করা হয়েছে এবং এটির কারণে 'মানুষ' অন্যান্য প্রাণী থেকে আলাদা করা হয়েছে। অতএব 'বুদ্ধিবৃত্তিসম্পন্ন' গুণটি দ্বারা বিধেয়কের প্রকারভেদ বিভেদক লক্ষণ প্রতিফলিত হয়েছে।