উদ্দীপকের শেষ বাক্যটির দ্বারা বিধেয়কের প্রকারভেদের আলোকে জাতিগত অবিচ্ছেদ্য ও ব্যক্তিগত বিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণ নির্দেশিত হয়েছে।বিশ্লেষণ করা হলো-বিধেয়কের প্রকারভেদগুলোর মধ্যে সর্বশেষ হলো অবান্তর লক্ষণ। আর অবান্তর লক্ষণের শ্রেণিবিভাগগুলোর মধ্যে দুটি হলো- ব্যক্তিগত অবিচ্ছেদ্য এবং ব্যক্তিগত বিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণ। যে অবান্তর লক্ষণ কোনো ব্যক্তির ক্ষেত্রে সব সময় উপস্থিত থাকে তাকে ব্যক্তিগত অবিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণ বলে। উদ্দীপকের শেষ বাক্যে জন্মস্থান এর উল্লেখ করা হয়েছে, যা কোনো ব্যক্তির ক্ষেত্রে সব সময় উপস্থিত থাকে। তাই জন্মস্থান বিধেয়ক হিসেবে ব্যক্তিগত অবিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণ। আর যে অবান্তর লক্ষণ কোনো ব্যক্তির ক্ষেত্রে কোনো কোনো সময় উপস্থিত থাকে, আবার কোনো কোনো সময় উপস্থিত থাকে না তাকে ব্যক্তিগত বিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণ বলে। উদ্দীপকের শেষ বাক্যের হাসি-কান্না, সততা কোনো কোনো সময় উপস্থিত থাকে, আবার কোনো কোনো সময় উপস্থিত থাকে না। তাই হাসি-কান্না, সততা দ্বারা ব্যক্তিগত বিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণ নির্দেশিত হয়েছে। সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকের শেষ বাক্যটির দ্বারা বিধেয়ক ব্যক্তিগত অবিচ্ছেদ্য এবং ব্যক্তিগত বিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণ নির্দেশিত হয়েছে।