উদ্দীপকে ক এর প্রাণী নামক পদটি জাতি বিধেয়ককে নির্দেশ করে। ব্যাখ্যা করা হলো-
দুটি পরস্পর সম্পর্কযুক্ত শ্রেণিবাচক পদের একটি যদি অপরটি অপেক্ষা ব্যক্ত্যর্থের বিবেচনায় বৃহত্তর হয় এবং বৃহত্তর পদটি অপর পদকে অন্তর্ভুক্ত করে তাহলে বৃহত্তর পদটিকে অপর পদের জাতিবলে।
উদ্দীপকে শ্রেণিবাচক পদগুলোকে ব্যক্ত্যর্থের বিবেচনায় বড় থেকে ছোট বা ছোট থেকে বড় আকারে সাজানোর পর দেখা যাচ্ছে 'ক' এর প্রাণী নামক পদটির ব্যক্ত্যর্থ তুলনামূলকভাবে 'খ'-এর হাতি, ঘোড়া, মহিষ এবং 'গ'-এর মানুষ থেকে বৃহত্তর এবং এ বৃহত্তর 'ক' ক্ষুদ্রতর 'খ' ও 'গ'-কে অন্তর্ভুক্ত করে। তাই বলা যায় যে, উদ্দীপকের 'ক' একটি জাতি বিধেয়ক।