দৃশ্যকল্প-১ এ A দ্বারা বিধেয়কের বিভেদক লক্ষণ ও উপলক্ষণ প্রকারটিকে নির্দেশ করে। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো-যে গুণ বা গুণসমষ্টি দ্বারা একই জাতির অন্তর্ভুক্ত একটি উপজাতিকে তার সমজাতীয় অন্যান্য উপজাতি থেকে পৃথক করা হয়, তাকে বিভেদক লক্ষণ বলে। বিভেদক লক্ষণ হলো জাত্যর্থের অপরিহার্য অংশবিশেষ যা দ্বারা একটি উপজাতি অন্যান্য উপজাতি থেকে পৃথক হয়। অপরদিকে, যে গুণ কোনো পদের জাত্যর্থের অংশ নয়, অথচ পদটির জাত্যর্থ থেকে অনিবার্যভাবে নিঃসৃত হয় তাকে ঐ পদের উপলক্ষণ বলে। যেমন— ক্ষুধা, পিপাসা, নিদ্রা, মানুষের উপলক্ষণ। উদ্দীপকের দৃশ্যকল্প-১ এ শ্রেণিবাচক 'মানুষ' পদটির বিভেদক লক্ষণ হলো 'বুদ্ধিবৃত্তি' যা মানুষ পদটির জাত্যর্থের অংশ। আর ক্ষুধা, তৃষ্ণা, বৃদ্ধি 'মানুষ' পদটির জীববৃত্তি নামক জাত্যর্থ থেকে নিঃসৃত হয়েছে। এ কারণে এসব গুণগুলো হলো উপলক্ষণ । তাই A দ্বারা নির্দেশিত 'বুদ্ধিবৃত্তি' ও 'ক্ষুধা', 'তৃষ্ণা', 'বৃদ্ধি' গুণসমষ্টি যথাক্রমে মানুষ পদটির বিভেদক লক্ষণ ও উপলক্ষণ।