রফিক সাহেবের দ্বিতীয় দৃষ্টান্তে বিভেদক লক্ষণ বিধেয়কের ইঙ্গিত এসেছে।
বিভেদক লক্ষণ, বলতে বিভেদ বা পার্থক্য করার গুণকে বোঝায়। যে গুণ বা গুণ সমষ্টি দ্বারা একই জাতির অন্তর্ভুক্ত একটি উপজাতিকে তার সমজাতীয় অন্যান্য উপজাতি থেকে পৃথক করা হয়, তাকে বিভেদক লক্ষণ বলে। বিভেদক লক্ষণ হলো জাত্যর্থের অপরিহার্য অংশ বিশেষ যা দ্বারা একটি উপজাতি অন্যান্য উপজাতি থেকে পৃথক হয়। যেমন-'মানুষ' পদটির বিভেদক লক্ষণ হলো 'বুদ্ধিবৃত্তি'। এ গুণটির কারণে অপরাপর সমজাতীয় উপজাতি থেকে মানুষ পদকে পৃথক করা যায়।
উদ্দীপকের রফিক সাহেব ক্লাসে দ্বিতীয় দৃষ্টান্তে বললেন, প্রাণীকে মানুষ ও অমানুষেও ভাগ করা যায়। কারণ 'বুদ্ধিবৃত্তি' গুণের কারণে মানুষ অমানুষ থেকে আলাদা। এ কারণে বলা যায়, রফিক সাহেবের দ্বিতীয় দৃষ্টান্তে বিভেদক লক্ষণ বিধেয়কের ইঙ্গিত এসেছে।