ব্যক্ত্যর্থের দিক থেকে উপজাতিগুলো জাতির অন্তর্ভুক্ত।
ব্যক্ত্যর্থ বলতে পদের সংখ্যা বা পরিমাণের দিককে নির্দেশ করে। দুটি শ্রেণিবাচক পদের মধ্যে যেটির ব্যক্ত্যর্থ অপরটির তুলনায় বৃহত্তর হয়, তাহলে বৃহত্তর পদটিকে অপর পদের জাতি বলে। আর যে পদটি সংকীর্ণতর, সেই পদটিকে বৃহত্তর পদটির উপজাতি বলে। যেমন- 'জীব' এবং 'মানুষ' দুটি পদই জাতিবাচক। এ দুটি পদকে তাদের ব্যক্ত্যর্থের সাথে তুলনা করলে দেখা যায় যে, 'মানুষ' পদের চেয়ে 'জীব' পদের ব্যক্ত্যর্থ অধিক। তাই সংজ্ঞা অনুযায়ী 'জীব' পদটিকে 'মানুষ' পদের জাতি এবং 'মানুষ' পদটিকে 'জীব' পদের উপজাতি বলা হয়। এজন্য ব্যক্ত্যর্থ বা পরিমাণের দিক থেকে উপজাতিগুলো জাতির অন্তর্ভুক্ত।