উদ্দীপকে ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বিধেয়ক হিসেবে অবান্তর লক্ষণকে নির্দেশ করে। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো-
কেননা বিধেয়ক হিসেবে অবান্তর লক্ষণের সাথে এ বিষয়টির সাদৃশ্য রয়েছে। বিধেয়ক হলো এক প্রকার সম্পর্ক। কোনো জাতি বা শ্রেণিবাচক বিধেয় পদবিশিষ্ট সমর্থক যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য ও বিধেয় পদের মধ্যে যেসব সম্পর্ক থাকতে পারে, সেসব সম্পর্ককে বিধেয়ক বলে। বিধেয়কের প্রকারভেদগুলোর মধ্যে সর্বশেষ হলো অবান্তর লক্ষণ। যে গুণ বা গুণাবলি কোনো পদের জাত্যর্থের অংশ নয় কিন্তু পদটির জাত্যর্থ থেকে অনিবার্যভাবে নিঃসৃত হয় তাকে অবান্তর লক্ষণ বলে। অবান্তর লক্ষণকে বিভিন্নভাবে ভাগ করা হয়, যার মধ্যে একটি হলো ব্যক্তিগত অবিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণ। যে গুণ বা গুণাবলি কোনো ব্যক্তির ক্ষেত্রে সবসময় উপস্থিত থাকে সে গুণ বা গুণাবলিকে ব্যক্তিগত অবিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণ বলে। যেমন- কোনো ব্যক্তির জন্মতারিখ ব্যক্তির ক্ষেত্রে সবসময় উপস্থিত থাকে।
তেমনি উদ্দীপকের ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ' বাংলাদেশের ক্ষেত্রে সবসময় উপস্থিত। তাই এটির মাধ্যমে বিধেয়ক হিসেবে অবান্তর লক্ষণ নির্দেশিত হয়েছে।