উদ্দীপকে ২য় বাক্যে উদ্দেশ্য পদের সাথে বিধেয় পদের যে সম্পর্ক। প্রকাশিত হয়েছে তাকে বিধেয়ক বলে। নিচে বিধেয়কের সাথে বিধেয়ের পার্থক্য বিশ্লেষণ করা হলো-
উদ্দেশ্য ও বিধেয় যে সম্পর্কের বন্ধনে আবদ্ধ তা-ই হলো বিধেয়ক। অন্যদিকে, উদ্দেশ্য সম্পর্কে যা কিছু বলা হয় তা-ই বিধেয়। অর্থাৎ বিধেয় একটি পদ। কিন্তু বিধেয়ক কোনো পদ নয়। এটি হচ্ছে উদ্দেশ্য ও বিধেয়ের মধ্যকার বিদ্যমান সম্পর্ক। তাই কোনো যুক্তিবাক্যে বিধেয় মূর্ত (প্রকাশিত) থাকে, কিন্তু বিধেয়ক বিমূর্ত থাকে।
শ্রেণিবাচক, অ-শ্রেণিবাচক, জাতিবাচক, অ-জাতিবাচক যেকোনো পদই বিধেয় হতে পারে। পক্ষান্তরে, কেবল শ্রেণিবাচক বা জাতিবাচক বিধেয় সংবলিত যুক্তিবাক্যের ক্ষেত্রেই বিধেয়ক থাকতে পারে। পাশাপাশি সদর্থক, নঞর্থক সকল যুক্তিবাক্যেই বিধেয় থাকে। কিন্তু একমাত্র সদর্থক যুক্তিবাক্যেই বিধেয়ক থাকতে পারে। বিধেয়ক অপেক্ষাকৃত বেশি শর্তসাপেক্ষ। অন্যদিকে বিধেয় অপেক্ষাকৃত কম শর্তসাপেক্ষ। বিধেয়র কোনো সুনির্দিষ্ট শ্রেণিবিভাগ নেই । অপরদিকে, বিধেয়কের শ্রেণিবিভাগ রয়েছে