ইকবাল সাহেবের 'বুদ্ধিমান' হওয়া গুণটি বিধেয়কের লক্ষণ বা বিভেদক লক্ষণকে নির্দেশ করে। কেননা বুদ্ধিমত্তা গুণটি মানুষ পদের জাত্যর্থ 'বুদ্ধিবৃত্তি' থেকে অনিবার্যভাবে নিঃসৃত হয়।
যে গুণ বা গুণাবলি একই জাতির অন্তর্ভুক্ত একটি উপজাতিকে অপরাপর উপজাতি থেকে পৃথক করে সে গুণ বা গুণাবলিকে উপজাতিটির লক্ষণ বা বিভেদক লক্ষণ বলা হয়। যেমন- 'মানুষ' উপজাতিটি গরু, ছাগল, বিড়াল, কুকুর প্রভৃতি অপরাপর উপজাতিসহ একই 'জীব' জাতির অন্তর্ভুক্ত। সুতরাং মানুষ প্রথমত এক প্রকার জীব। অপরাপর জীবের মত তার মধ্যে রয়েছে জীববৃত্তি গুণটি। এদিক থেকে মানুষের সাথে অপরাপর জীবের কোনো পার্থক্য নেই। কিন্তু মানুষের মধ্যে আরও একটি গুণ আছে যা অন্যান্য জীবের মধ্যে নেই। সেটির নাম হলো 'বুদ্ধিবৃত্তি'। এ গুণটি মানুষ উপজাতিকে জীব জাতির অন্তর্ভুক্ত অপরাপর উপজাতি থেকে পৃথক করে। তাই 'বুদ্ধিবৃত্তি' গুণটি মানুষ উপজাতির লক্ষণ।
উদ্দীপকে বর্ণিত হয়েছে, ইকবাল সাহেব একজন বুদ্ধিমান ব্যক্তি। বুদ্ধিমত্তা গুণটি মানুষ পদের জাত্যর্থ 'বুদ্ধিবৃত্তি থেকে অনিবার্যভাবে নিঃসৃত হয় । তাই বলা যায়, উদ্দীপকে উল্লেখিত বুদ্ধিমত্তা গুণটি বিধেয়কের শ্রেণিবিভাগ লক্ষণ বা বিভেদক লক্ষণকে নির্দেশ করে।