উদ্দীপকে ছক-২ এ 'জীব' পদটি দ্বারা জাতি বোঝায়। 'মানুষ', 'বাঘ' ও 'বিড়াল' দ্বারা উপজাতি বিধেয়ককে নির্দেশ করে। জাতি ও উপজাতির সম্পর্ক নিচে আলোচনা করা হলো-
১. জাতি ও উপজাতি দুটি শ্রেণিবাচক পদ: কোনো শ্রেণিকে জাতি বলার অর্থ হচ্ছে তা অন্য কোনো উপজাতির তুলনায় জাতি। অন্যদিকে কোনো শ্রৈণিকে উপজাতি বলার অর্থ হচ্ছে সে বিশেষ শ্রেণিটি অন্যকোনো জাতির তুলনায় উপজাতি।
২. জাতি ও উপজাতি দুটি সাপেক্ষ পদ: জাতি ও উপজাতি পরস্পর নির্ভরশীল। কোনো জাতির অন্তর্গত উপজাতিগুলোকে বাদ দিলে যেমন জাতি বলা যায় না, তেমনিভাবে কোনো উপজাতি যে জাতির অন্তর্গত সেই জাতিকে বাদ দিলে উপজাতি বলে আর কিছু থাকে না। সম্পর্কভেদে একই পাদ জাতি ও উপজাতি দুই-ই হতে পারে।
৩. ব্যক্ত্যর্থের দিক থেকে উপজাতি জাতির আওতাভুক্ত : উপজাতির চেয়ে জাতির ব্যক্ত্যর্থ বেশি। এজন্য উপজাতি সবসময় জাতির আওতাভুক্ত।
৪. জাত্যর্থের দিক থেকে জাতি উপজাতির আওতাভুক্ত: আমরা জানি, যার ব্যক্ত্যর্থ বেশি তার জাত্যর্থ কম এবং যার ব্যক্ত্যর্থ কম তার জাত্যর্থ বেশি। জাতির ব্যক্ত্যর্থ বেশি এবং উপজাতির ব্যক্ত্যর্থ কম। এজন্য জাতির তুলনায় উপজাতির জাত্যর্থ বেশি। তাই জাত্যর্থের দিক থেকে জাতি উপজাতির আওতাভুক্ত।
সুতরাং আমরা বলতে পারি, জাতি ও উপজাতি একে অপরের ওপর নির্ভরশীল।