উদ্দীপকের ধারণা-১ পদযোগ্য শব্দ এবং ধারণা-২ সহপদযোগ্য -শব্দকে নির্দেশ করে।নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো-ধারণা-১ এর শব্দগুলো স্বাধীনভাবে পদ হিসেবে এবং ধারণা-২ এর শব্দগুলো অন্য শব্দের সাহায্যে পদ হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে। পদ হওয়ার যোগ্যতার ভিত্তিতে শব্দকে তিন ভাগে ভাগ করা হয় যার মধ্যে একটি হলো পদযোগ্য শব্দ। যে শব্দ বা শব্দসমষ্টি স্বাধীনভাবে কোনো যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য বা বিধেয় হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে সেসব শব্দ বা শব্দসমষ্টিকে পদযোগ্য শব্দ বলে। উদ্দীপকের ধারণা-১ এর শব্দগুলো হলো- কলম, বই, মানুষ, চতুষ্পদ । এসব শব্দ স্বাধীনভাবে যুক্তিবাক্যের পদ হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে। যেমন- কলমটি হয় সুন্দর, বইটি হয় সাহিত্যের, সকল মানুষ হয় সুন্দর, ঘোড়া হয় চতুষ্পদ ইত্যাদি। তাই উদ্দীপকের ধারণা-১-এর দ্বারা পদযোগ্য শব্দ নির্দেশিত হয়েছে।অপরদিকে , যেসব শব্দ সরাসরি কোনো যুক্তিবাক্যের পদ হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে না কিন্তু অন্য শব্দের সাহায্য নিয়ে পদ হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে সেসব শব্দকে সহপদযোগ্য শব্দ বলে। উদ্দীপকের ধারণা-২-এর শব্দগুলো হলো- পাখি ও মাছ, আম এবং কমলা। এসব শব্দ এমন যে এগুলো অন্য শব্দের সাথে যুক্ত হতে হয়। এখানে ও, এবং হচ্ছে সহপদযোগ্য শব্দ। যেমন- 'পাখি ও মাছ হয় প্রাণী', 'আম এবং কমলা হয় সুস্বাদু' ইত্যাদি। যেহেতু শব্দগুলো অন্য শব্দের সাহায্য নিয়ে যুক্তিবাক্যের পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তাই শব্দগুলো সহপদযোগ্য শব্দ। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের 'ধারণা-২' এর মাধ্যমে সহ-পদযোগ্য শব্দ নির্দেশিত হয়েছে।