যুক্তি-২ এবং যুক্তি-৩ এর মধ্যে পার্থক্য হলো প্রথমটি বৈধ যুক্তি হলেও পরেরটি অবৈধ যুক্তি।নিচে বৈধ ও অবৈধ যুক্তির তুলনামূলক পার্থক্য বিশ্লেষণ করা হলো-যুক্তি-২ এ উল্লেখ করা হয়েছে, সকল মানুষ হয় মরণশীল। কোনো ফেরেশতা নয় মরণশীল। অতএব, কোনো ফেরেশতা নয় মানুষ। এখানে তিনটি পদের সমন্বয়ে দুটি আশ্রয়বাক্য ও একটি সিদ্ধান্ত রয়েছে। পাশাপাশি আশ্রয়বাক্য থেকে যথাযথভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। পদের ব্যাপ্যতার বিষয়টিও যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছে। এসব বিবেচনায় বলা যায়, এটি বৈধ সহানুমানের দৃষ্টান্ত। অন্যদিকে যুক্তি-৩ এ বর্ণিত, সকল মানুষ হয় জ্ঞানী।কোনো পাখি নয় মানুষ । অতএব, কোনো পাখি নয় জ্ঞানী । এখানে প্রধান পদ 'জ্ঞানী' প্রধান আশ্রয়বাক্যে সার্বিক যুক্তিবাক্যের বিধেয় হিসেবে অব্যাপ্য। কিন্তু সিদ্ধান্তে 'জ্ঞানী' পদটি সার্বিক নঞর্থক যুক্তিবাক্যের বিধেয় হওয়ায় ব্যাপ্য হয়ে গেছে। তাই এখানে অবৈধ প্রধান পদজনিত অনুপপত্তি ঘটেছে।তাই বলা যায়, যুক্তি-২ বৈধ যুক্তি হলেও যুক্তি-৩ অবৈধ যুক্তি ।