উদ্দীপকে হাসান, রুবেল ও মি. শফিকুল তথা যুক্তিবিদ্যার প্রধান, অপ্রধান ও মধ্যপদের তুলনাযোগ্য পদের আন্তঃসম্পর্ক বিশ্লেষণ করা হলো—
যেকোনো সহানুমানে তিনটি যুক্তিবাক্য থাকে। এদের মধ্যে দুটি আশ্রয়বাক্য এবং তৃতীয়টি হলো সিদ্ধান্ত যা আশ্রয়বাক্য দুটি থেকে অনিবার্যভাবে নিঃসৃত হয়। সহানুমানের সিদ্ধান্তের বিধেয় পদকে প্রধান পদ বলে। এই পদটি প্রধান আশ্রয়বাক্যে ব্যবহৃত হয় যা প্রধান আশ্রয়বাক্যের মধ্যপদের সাথে সংযুক্ত। মধ্যপদের মধ্যস্থতায় এই পদটি সিদ্ধান্তে এসে অপ্রধান পদের সাথে সম্পর্ক তৈরি করে। আবার, সহানুমানের সিদ্ধান্তের উদ্দেশ্যকে বলা হয় অপ্রধান পদ। এই পদটি অপ্রধান আশ্রয়বাক্যে ব্যবহৃত হয় এবং অপ্রধান আশ্রয়বাক্যের মধ্যপদের সাথে যুক্ত হয়। মধ্যপদের মধ্যস্থতায় এই পদটি সিদ্ধান্তে এসে প্রধান পদের সাথে সম্পর্ক তৈরি করে। মধ্যপদ সহানুমানের উভয় আশ্রয়বাক্যের পাশাপাশি 'প্রধানপদ' ও 'অপ্রধান পদের' মধ্যে একটি সম্পর্ক তৈরি করে কিন্তু সিদ্ধান্তে থাকে না।
উদ্দীপকের হাসানকে প্রধান পদ, রুবেলকে অপ্রধান পদ এবং মি. শফিকুলকে মধ্যপদ বিবেচনা করা যায়। কারণ মি. শফিকুলের মধ্যস্থতায় অর্থাৎ মধ্যপদের ভূমিকায় হাসান ও রুবেল একত্রে বসবাস শুরু করে ।
পরিশেষে বলা যায়, উদ্দীপকে হাসান, রুবেল ও মি. শফিকুলের মধ্যকার সম্পর্কে সহানুমানের প্রধানপদ, অপ্রধান পদ ও মধ্যপদের আন্তঃসম্পর্ক বিদ্যমান ।