উদ্দীপকের উল্লিখিত যুক্তিটি বৈধ।
উদ্দীপকের উল্লিখিত দৃষ্টান্তে সহানুমানের নিয়মাবলি যথার্থভাবে অনুসরণ করা হয়েছে বিধায় যুক্তিটি বৈধ। আমরা জানি, তিনটি পদ এবং তিনটি যুক্তিবাক্যের সমন্বয়ে সহানুমান গঠিত হয়। সহানুমানের পদ তিনটি হলো প্রধান পদ, অপ্রধান পদ ও মধ্যপদ। উদ্দীপকের অনুমানটিতে প্রধান পদ হলো 'নিপুণ কারিগর', অপ্রধান পদ হলো 'রাহুল' এবং মধ্যপদ হলো 'কুমার'। ফলে সহানুমানটিতে প্রয়োজনীয় তিনটি পদেরই উল্লেখ করা হয়েছে। যা সহানুমানের নিয়মকে সমর্থন করে।
আবার, সহানুমানের নিয়মানুযায়ী প্রত্যেকটি পদ দুইবার করে ব্যবহৃত হয়েছে। প্রধান পদের সাথে মধ্যপদের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। এছাড়া অপ্রধান পদের সাথেও মধ্যপদের সম্পর্ক স্থাপিত হয়েছে। ফলে প্রধান আশ্রয়বাক্য ও অপ্রধান আশ্রয়বাক্য থেকে অনিবার্যভাবে সিদ্ধান্ত নিঃসৃত হয়েছে। যা অনুমানটিকে বৈধ হতে সহায়তা করেছে। পাশাপাশি অনুমানটিতে সহানুমানের নিয়মানুযায়ী মধ্যপদ অন্তত একবার ব্যাপ্য হয়েছে।
আলোচনা শেষে বলা যায়, সহানুমানের একটি যুক্তি বৈধ হবে না অবৈধ হবে তা নির্ভর করে অনুমানটিতে নিয়মাবলির সঠিকভাবে প্রয়োগ হয়েছে কি-না তার উপর। আলোচ্য উদাহরণটিতে সহানুমানের নিয়মাবলি সঠিকভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে বিধায় তা সহানুমানের একটি বৈধ যুক্তি হিসেবে বিবেচিত।