উদ্দীপকে উল্লিখিত পদ তিনটি হলো- প্রধান পদ, অপ্রধান পদ ও মধ্যপদ। উদ্দীপকটি একটি মহানুমানের যুক্তি। এতে রয়েছে তিনটি যুক্তিবাক্য এর একটি সিদ্ধান্ত ও দুটি আশ্রয়বাক্য। দুটি আশ্রয়বাক্যের অনিবার্য সম্পর্কের ভিত্তিতে সিদ্ধান্তটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। যেমন- "সকল বাংলাদেশি হয় দেশ প্রেমিক।" এটি প্রধান আশ্রয়বাক্য এবং "সাকিব হয়ঃ দেশ প্রেমিক" বাক্যটি একটি সিদ্ধান্ত। এখানে দেশপ্রেমিক পদটি প্রধান পদ। কেননা এটি সিদ্ধান্তে বিধেয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। স্নাকিরা পদটি অপ্রধান পদ, যা সিদ্ধান্তের উদ্দেশ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে-। আর যে পদটি সিন্ধান্তে নেই- কিন্তু আশ্রয়বাক্য দুটিতে রয়েছে সেটি হলো মধ্যপদ। উল্লিখিত অনুমানটিতে মধ্যপদ হলো 'বাংলাদেশি'। কেননা এই পদটি কেবল আশ্রয়বাক্য দুটিতে রয়েছে। কিন্তু সিদ্ধান্তে নেই। সহানুমানের তিনটি পদ থেকে, যা তিনটি বাক্যে প্রত্যেকটি দুবার করে ব্যবহৃত হয়। এই তিনটি পদের মধ্যে সিদ্ধান্তের বিধেয়কে প্রধান পদ, সিদ্ধান্তের উদ্দেশ্যকে অপ্রধান পদ। আর যে পদটি উভয় দুটি আশ্রয় বাকো থাকে কিন্তু সিদ্ধান্তে থাকে না তাকে মধ্যপদ বলে। যে আশ্রয়বাক্যে প্রধান পদটি থাকে তাকে প্রধান আশ্রয়বাক্য আর যে আশ্রয়বাক্যে অপ্রধান পদটি থাকে তাকে অপ্রধান আশ্রয়বাকা বলে। প্রধান আশ্রয়বাক্য ও অপ্রধান আশ্রয়বাক্য দুটির সম্পর্কে সম্পর্কিত হয়ে যে অনিবার্য তৃতীয় যুক্তিবাক্যটির সৃষ্টি হয় তাকে বলা হয় সিদ্ধান্ত। উদ্দীপকে উল্লিখিত অনুমানটিও সহানুমানের গঠন প্রণালির ওপর ভিত্তি করে অনুমিত হয়েছে। তাই এটি একটি সহানুমান।