উদ্দীপকে দৃশ্য-২ এর দৃষ্টান্তটি যথার্থ নয়। কারণ এই দৃষ্টান্তে O যুক্তিবাক্যের আবর্তনের চেষ্টা করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণরূপে অবৈধ।
O যুক্তিবাক্য নঞর্থক বিধায় আবর্তিতও নঞর্থক যুক্তিবাক্যে করতে হবে। কিন্তু নঞর্থক যুক্তিবাক্য হচ্ছে E যুক্তিবাক্য এবং O যুক্তিবাক্য। এখন O যুক্তিবাক্যের আবর্তন যুক্তিবাক্যে করা সম্ভব নয়। কেননা E যুক্তিবাক্য হলো একটি সার্বিক যুক্তিবাক্য। অবরোহ অনুমানের সিদ্ধান্ত কোনো অবস্থায় আশ্রয়বাক্য থেকে বেশি ব্যাপক হতে পারে না। আবার, O যুক্তিবাক্যের আবর্তন O যুক্তিবাক্যে করা হলে আবর্তনের ব্যাপ্যতা সংক্রান্ত নিয়ম লঙ্ঘন করা হয়। কেননা বাক্যের বিধেয় পদ ব্যাপ্য হলেও উদ্দেশ্য পদ ব্যাপ্য নয়। কিন্তু আবর্তনের নিয়মানুসারে, যে পদ আশ্রয়বাক্যে ব্যাপ্য নয় তা সিদ্ধান্তে ব্যাপ্য হতে পারবে না। এখন O যুক্তিবাক্যের অব্যাপ্য উদ্দেশ্য পদ যদি সিদ্ধান্তে O বাক্যের বিধেয় হিসেবে ব্যবহৃত হয় তখন তা ব্যাপ্য হয়ে পড়ে। তাই দেখা যায়, O যুক্তিবাক্যের কোনো আবর্তনই বৈধ হয় না।
দৃশ্য-২ এ বর্ণিত, 'কিছু ছাত্র নয় মনোযোগী। অতএব, কিছু মনোযোগী মানুষ নয় ছাত্র।' এই দৃষ্টান্তে আশ্রয়বাক্যের 'ছাত্র' পদটি যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য হিসেবে অব্যাপ্য ছিল। কিন্তু সিদ্ধান্তে বিধেয় হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ায় ঐ 'ছাত্র' পদটি ব্যাপ্য হয়েছে। তাই এখানে ব্যাপ্যতা সংক্রান্ত নিয়ম লঙ্ঘিত হয়েছে। কেননা আবর্তনের নিয়মানুসারে, যে পদ আশ্রয়বাক্যে ব্যাপ্য নয় তা সিদ্ধান্ত ব্যাপ্য হতে পারে না।তাই বলা যায়, দৃশ্য-২ এ বর্ণিত দৃষ্টান্তে O বাক্যের আবর্তন কোনোভাবেই সম্ভব নয়।