চিত্র-২ মাধ্যমে সার্বিক নঞর্থক বা E-যুক্তিবাক্যের ইঙ্গিত পাওয়া যায় এবং চিত্র-৩ মাধ্যমে বিশেষ নঞর্থক বা O-যুক্তিবাক্যের ইঙ্গিত পাওয়া যায়।
চিত্র-২ সার্বিক নঞর্থক বা E-যুক্তিবাক্যকে প্রকাশ করে। E-যুক্তিবাক্য পরিমাণের দিক থেকে সার্বিক এবং গুণের দিক থেকে নঞর্থক। অর্থাৎ, এই যুক্তিবাক্যের বিধেয় পদটি উদ্দেশ্য পদের সমগ্র ব্যক্ত্যর্থ সম্পর্কে কোনো কিছু অস্বীকার করে । ব্যাপ্যতার নিয়মানুযায়ী সার্বিক যুক্তিবাক্য হওয়ার কারণে E- যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য পদ ব্যাপ্য। আর নঞর্থক যুক্তিবাক্য হওয়ার কারণে E- যুক্তিবাক্যের বিধেয় পদ ব্যাপ্য। তাই ব্যাপ্যতার নিয়মানুযায়ী সার্বিক নঞর্থক বা E-যুক্তিবাক্যের উভয় পদ ব্যাপ্য।
অপরপক্ষে, চিত্র-৩ বিশেষ নঞর্থক বা O-যুক্তিবাক্যকে প্রকাশ করে। O যুক্তিবাক্য পরিমানের দিক থেকে বিশেষ এবং গুণের দিক থেকে নঞর্থক। অর্থাৎ, O-যুক্তিবাক্যের বিধেয় পদ উদ্দেশ্য পদের আংশিক ব্যক্ত্যর্থ সম্পর্কে কোনো কিছু অস্বীকার করে। ব্যাপ্যতার নিয়ম অনুযায়ী O-যুক্তিবাক্য বিশেষ যুক্তিবাক্য হওয়ার কারণে উদ্দেশ্য পদ অব্যাপ্য। আর নঞর্থক যুক্তিবাক্য হওয়ার কারণে O-যুক্তিবাক্যের বিধেয় পদ ব্যাপ্য। তাই ব্যাপ্যতার নিয়ম অনুযায়ী O-যুক্তিবাক্যের কেবল বিধেয় পদ ব্যাপ্য।
সুতরাং দেখা যাচ্ছে যে, E ও O-যুক্তিবাক্য উভয়ই নঞর্থক কিন্তু একটি সার্বিক এবং অন্যটি বিশেষ। ফলে E-যুক্তিবাক্যের উভয় পদ ব্যাপ্য কিন্তু O-যুক্তিবাক্যের কেবল বিধেয় পদ ব্যাপ্য।